কাতানা | |
---|---|
![]() সোনায় খচিত লিপিতে(城和泉守所持)স্বাক্ষর করা কাতানা, কামাকুরা আমল, ১৪শ শতাব্দী, ফলক দৈর্ঘ্য: ৭০.৬ সে.মি.[১] | |
প্রকার | তরবারি |
উদ্ভাবনকারী | জাপান |
উৎপাদন ইতিহাস | |
উৎপাদনকাল | মুরোমাচি আমল (১৩৯২–১৫৭৩) থেকে বর্তমানকাল |
তথ্যাবলি | |
ওজন | ১.১-১.৩ কেজি |
ব্যারেলের দৈর্ঘ্য | প্রায় ৬০–৭৩ সে.মি. (২৩+৫⁄৮–২৮+৩⁄৪ in) |
ফলার প্রকার | বাকানো, একমুখী |
ঐতিহাসিকভাবে, কাতানা (刀) ছিল প্রথা অনুসারে তৈরি জাপানি তরবারি গুলোর অন্যতম [২][৩] যা প্রাচীন এবং সামন্ততান্ত্রিক জাপানের সামুরাই কর্তৃক ব্যবহৃত হত। [৪] কাতানার স্বতন্ত্র বৈশিষ্ট্য: এর গোল বা বর্গাকৃতি রক্ষকের সাথে বাকানো, একমুখী ফলক এবং দু-হাতে ধরার উপযোগী লম্বা হাতল দ্বারা একে আলাদাভাবে চিহ্নিত করা যায়।
"কাতানা"কে সাধারণত প্রমাণ আকৃতির, মাঝারিভাবে বাকানো (পুরোনো তাচি রীতি থেকে ভিন্ন, যাতে আরও বক্রতা দেওয়া হত) জাপানি তরবারি বলে আখ্যায়িত করা হয় যার ফলক ৬০ সে.মি. থেকে লম্বা। কাতানা ঐতিহাসিকভাবে সামন্ততান্ত্রিক জাপানের সামুরাইদের সাথে সংযুক্ত।[৫]
কিছু ব্যাতিক্রমের দ্বারা "কাতানা" এবং তাচিকে আলাদাভাবে চেনা যায়, যেমন: স্বাক্ষর করা থাকলে, ফলকের গোড়ায় (nakago) ঐ স্বাক্ষরের (mei) অবস্থান দেখে।[৬]
পশ্চিমা ঐতিহাসিকদের মতে কাতানা পৃথিবীর সামরিক ইতিহাসে নিখুঁততম ধারালো অস্ত্রসমুহের মধ্যে অন্যতম ছিল।[৭][৮][৯]