জাগো | |
---|---|
পরিচালক | মেহুল কুমার[১] |
প্রযোজক | মেহুল কুমার |
রচয়িতা | কে কে সিং |
শ্রেষ্ঠাংশে | মনোজ বাজপেয়ী সঞ্জয় কাপুর রবীনা ট্যান্ডন হংসিকা মোতবানী |
সুরকার | সমীর সেন |
চিত্রগ্রাহক | মহেন্দ্র রায়ান |
সম্পাদক | ইউসুফ সেখ |
পরিবেশক | মেহুল মুভিজ |
মুক্তি |
|
দেশ | ভারত |
ভাষা | হিন্দি |
আয় | ₹ ১৩.৩ মিলিয়ন (ইউএস$ ১,৬২,৫৬৯.৮৯)[২] |
জাগো একটি ২০০৪ সালের সামাজিক বার্তাবাহক, অ্যাকশনধর্মী হিন্দি চলচ্চিত্র। বলিউড নির্মিত এই ছবিটির পরিচালক প্রযোজক ছিলেন মেহুল কুমার।[৩]
চলন্ত ট্রেনের কামরায় স্কুল থেকে ফেরার পথে নির্মম ভাবে তিন যুবকের দ্বারা ধর্ষিতা হয় শ্রুতি (হংসিকা) নামের একটি ১০ বছরের মেয়ে। রাজ্য রাজনীতি ও সমাজ তোলপাড় হয়ে যায় এই অমানবিক ঘটনায়। মন্ত্রী ও পুলিশ কমিশনার তদন্তের দায়িত্ব দেন সৎ ও সাহসী পুলিশ অফিসার কৃপাশঙ্করকে। কৃপাশঙ্কর ঠাকুর (মনোজ বাজপেয়ী) তার কর্তব্যে দায়বদ্ধ। বেপরোয়া এই অফিসার সেজন্যে তার নিজের পরিবারকেও হারিয়েছে। সে শ্রুতির মা (রবীনা ট্যান্ডন), বাবা (সঞ্জয় কাপুর)কে কথা দেয় দোষীদের আদালতে উপস্থিত করবে। কৃপা তদন্ত করে জানতে পারে সেদিনের ঘটনার তিনজন সাক্ষী আছে কিন্তু তারা ভয়ে মুখ খুলছেনা। সমাজের উঁচুতলা ও পুলিশের একটা অংশই তাদের ভয়ের কারণ। কৃপার পরিকল্পনা মতো শ্রুতির মা শ্রদ্ধা বর্মা সেই ট্রেনে রাত্রে ওঠেন। তিন ধর্ষক যুবক তাকেও আক্রমণ করে। একজনকে আত্মরক্ষার্থে তিনি হত্যা করেন। তদন্ত চলার সময় বারংবার প্রভাবশালী সরকারী কর্তা ও সহকর্মীদের হুমকি, প্রলোভনের মুখোমুখি হয় কৃপাশংকর কিন্তু নিজের কর্তব্যে অবিচল থেকে ফাঁসির দড়ি পর্যন্ত তাদের নিয়ে না যাওয়া পর্যন্ত থামেনা সে।