শিনমায়য়া ইউএস-১এউভচর বিমানগুলি নৌবাহিনীতে যাত্রা শুরু করে ১৯৭০ এর দশকের শুরুতে। বিমানগুলি তার কর্ম জীবনের শেষে পৌঁছতে শুরু করলে, জেএমডিএফ ১৯৯০ সালে এই উভচর বিমানগুলির পরিবর্তনের জন্য অর্থায়ন লাভের চেষ্টা করে। কিন্তু সম্পূর্ণ উন্নত নতুন উভচর বিমান তৈরির জন্য অর্থায়ন লাভ করতে পারেনি। অতএব, ১৯৯৫ সালে, শিনমায়য়া (যেহেতু শিন মেইয়া এর নামকরণ করা হয়েছিল) "ইউএস-১এ" এই উড়োজাহাজের উন্নয়নের জন্য পরিকল্পনা শুরু করে। এই নতুন উভচর বিমানে অনেকগুলি অ্যারোডায়নামিক রিফিনমেন্ট, একটি চাপযুক্ত হুল এবং আরও শক্তিশালী রোলস-রয়েস এই ২১০০ ইঞ্জিন রয়েছে। বিমানটির পরীক্ষা ১৮ ডিসেম্বর ২০০৩ সাল থেকে শুরু হয়। জেএমডিএফ ১৪ টি উড়োজাহাজ "শিনমায়য়া" থেকে ক্রয় করেছিল, যা শিনমায়ওয়া ইউএস -২ হিসেবে পরিচত।
শিনমায়য়া ইউএস-২ অনুসন্ধান এবং উদ্ধারকারী উভচর বিমান
বর্তমানে বিমানগুলি পরিচালিত হয় ৩১ তম ফ্লিট এয়ার উইং (৭১ তম এয়ার ফোর্স, ৭১ তম ফ্লাইট স্কোয়াড্রন) ইওয়াকুনি এয়ার বেস এবং এটসুজি এয়ার বেস থেকে। এপ্রিল ২০১৫ সালে বিমান ৯৯০৫ একটি দুর্ঘটনায় পড়ে ছিল। [১] দূর্ঘটনার সময় বিমানটি শিকোকুর অন্তর্গত কেক আশিউরির কাছে একটি প্রশিক্ষণ মিশনে ছিল এবং চারজন ক্রু সদস্যদের আহত করা হয়। [২]
ভারতীয় নৌবাহিনী ১২ থেকে ১৮ টি অনুসন্ধান ও উদ্ধারকারী "ইউএস-২" উভচর বিমান ক্রয়ের চেষ্টা চালাচ্ছে, এর জন্য প্রয়োজন $ ১ কোটি ৬৫ বিলিয়ন ডলারের। আশা করা হচ্ছে যে এই উভচর বিমানগুলি আন্দামান ও নিকোবর দ্বীপপুঞ্জে স্থাপন করা হবে ।[৩][৪] অক্টোবর ২০১৬ সালে,[৫] শিনমায়য়া প্রতি বিমানের মূল্য প্রায় $ ১১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হ্রাস করে।[৬] আশা করা হয়েছিল যে নভেম্বরে ২০১৬ সালের মধ্যে একটি চুক্তি স্বাক্ষরিত হবে,[৭] কিন্তু ভারতের প্রতিরক্ষা মন্ত্রী মনোহর পার্রিকর চুক্তি সাক্ষরে বিলম্বিত করে।[৮][৯] ২০১৮ সালের মার্চ মাসে ভারত থেকে জাপানের রাষ্ট্রদূত কেনি হিরামাতসু দ্য হিন্দু বিজনেস লাইনকে বলেন বিমান ক্রয়ের জন্য আলোচনা এখনো চলছে।[১০]
এছাড়াও রিপোর্ট আছে থাইল্যান্ডইউএস-২ বিমান ক্রয়ে আগ্রহী হয়েছে।[১১]