সোনালী বেন্দ্রে | |
---|---|
सोनाली बेंद्रे | |
![]() ২০১৮ সালে বেন্দ্রে | |
জন্ম | সোনালী বেন্দ্রে জানুয়ারি ১, ১৯৭৫ মুম্বই, মহারাষ্ট্র, ভারত |
জাতীয়তা | ভারতীয় |
নাগরিকত্ব | ভারত |
মাতৃশিক্ষায়তন | কেন্দ্রীয় বিদ্যালয়, হলি ক্রস কনভেন্ট উচ্চ বিদ্যালয় |
পেশা |
|
কর্মজীবন | ১৯৯৪–২০০৪, ২০০৯–বর্তমান |
আদি নিবাস | মুম্বই |
দাম্পত্য সঙ্গী | গোল্ডি বেহল (বি. ২০০২) |
সন্তান | রণবীর (জ. ২০০২) |
সোনালী বেন্দ্রে (মারাঠি: सोनाली बेंद्रे, জন্ম: ১ জানুয়ারি ১৯৭৫[১]) একজন ভারতীয় মডেল, টেলিভিশন ব্যক্তিত্ব এবং অভিনেত্রী। তিনি রোমান্স, অ্যাকশন এবং কমেডি ধরনের পঞ্চাশটির অধিক হিন্দি চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন। এছাড়াও বলিউড চলচ্চিত্রে অভিনয়ের পাশাপাশি তিনি বিভিন্ন তামিল, তেলুগু, মারাঠি এবং কন্নড় চলচ্চিত্রে অভিনয় করেছেন।
তিনি ইন্ডিয়ান আইডল ৪র্থ আসর এবং ইন্ডিয়া'স গট টেলেন্ট প্রতিযোগীতার চারজন বিচারকের মধ্যে একজন। তিনি মহারাষ্ট্র এবং অন্ধ্র প্রদেশের কল্যাণ কাঞ্চীতে প্রিল সোপ, সূর্য বাল্বস এ্যন্ড টিউব্স, ওমেগা ওয়াচেস, ড. মরপেন, ডাবর, ভি-জন গ্রুপ ইত্যাদির ব্র্যান্ড অ্যাম্বাসেডর (মুখপাত্র) হিসেবে নিয়োজিত রয়েছেন।[২][৩][৪] তিনি কালারস টিভি প্রদর্শিত মিশন সাপনে টেলিভিশন রিয়ালিটি শোর কথক হিসেবে কাজ করবেন।
সোনালী বেন্দ্রে ১৯৭৫ সালে মুম্বইয়ে এক মারাঠি পরিবারে জন্ম নেন।[৫] তিনি বেঙ্গালুরু এবং মুম্বইয়ে কেন্দ্রীয় বিদ্যালয় এবং হলি ক্রস কনভেন্ট উচ্চ বিদ্যালয়, থানেতে লেখাপড়া করেন। এরপর তিনি ওয়েলহাম গার্লস স্কুল, দেরাদুনে অধ্যয়ন করেন।
তিনি নভেম্বর ১২, ২০০২ সালে চলচ্চিত্র পরিচালক গোল্ডি বেহলকে বিয়ে করেন।[৬] আগস্ট ১১, ২০০৫ সালে বিচ ক্যান্ডি হাসপাতালে তাদের ছেলে, রণবীরের জন্ম হয়।[৭]
"ষ্টার ডাষ্ট ট্যালেন্ট সাৰ্চ" এ নিৰ্বাচিত হবার আগে বেন্দ্ৰে একজন মডেল হিসেবে ক্যারিয়ার শুরু করেন। তারপর তিনি মুম্বাই এ আমন্ত্ৰিত হয়ে যান। সেখানে তিনি ভারতীয় চলচ্চিত্ৰ উদ্যোক্তা ও অভিনয় শিল্পীদের দ্বারা প্ৰশিক্ষণ লাভ করেন। ১৯৯৪ সালে ‘’আগ’’ ছবিতে গোবিন্দার বিপরীতে অভিনয় করে রুপালিজগতে পা রাখেন।
প্ৰথম অবস্থায় সফল হতে কিছুটা সংগ্ৰাম করতে হলেও পরে ‘’দিলজলে’’(১৯৯৬), ’’ভাই’’, ’’সরফরোজ’’, ’’জখম’’, ’’ডুপ্লিকেট’’, ’’কধলর ধিমান (তামিল)’’, ’’হম সাথ সাথ হে’’(১৯৯৯), ’’তেরা মেরা সাথ রহে’’, ’’অনাহত’’(২০০৩) ইত্যাদি ছবির জন্য সমালোচকদের প্ৰশংসা লাভ করেন। চার খান (শাহরুখ, আমির, সালমান ও সাইফ)এর বিপরীতে অভিনয় করা কমসংখ্যক অভিনেত্ৰীদের মধ্যে তিনি একজন। তদুপরি তিনি বলিউডের শীৰ্ষ অভিনেতা অক্ষয় কুমার, সুনীল শেট্টি, অজয় দেবগণ, সঞ্জয় দত্ত, অনিল কাপুর এর বিপরীতেও অভিনয় করেছেন। ‘’ইন্দ্ৰ’’,’’শংকরদাদা এম.বি.বি.এস.’’,’’অংগারে’’,’’মনমধুড়ু’’ ছবিতে তিনি তেলুগু সুপারষ্টার চিরঞ্জিবী,অাক্কিনেনী নাগাৰ্জুনা ও ‘’প্ৰীথসে’’ ছবিতে কানাড়া সুপারষ্টার উপেন্দ্ৰের সাথেও অভিনয় করেছেন।
একজন অভিনেত্ৰী হবার পাশাপাশি তিনি গদ্দার, সপুত, বম্বে (তামিল চলচ্চিত্র), লজ্জা, মেজর সাব ছবিতে একজন ভাল নৰ্তকী হিসেবে ও খ্যাতি লাভ করেছেন। ২০০৩ সালে তিনি শাহরুখ খান,সাইফ আলি খান ও প্রীতি জিন্টা অভিনীত ‘’কল হো না হো’’তে বিশেষ ভূমিকায় অভিনয় করেন।[৮] বেন্দ্ৰে আপ কি সোনিয়া নামে এক নাটকে ও অভিনয় করেন।[৯] ১৯৯৬ সালের ১ নভেম্বর মাইকেল জ্যাকসন ভারতে আসলে তিনি পরম্পরাগত মহারাষ্ট্ৰীয় নাওয়ারি শাড়ি পরে তাকে স্বাগত জানান।
বেন্দ্ৰে টেলিভিশনে "ক্যা মস্তি ক্যা ধুম" নামক নৃত্যানুষ্ঠানের উপস্থাপিকা ছিলেন।তিনি সনি এন্টারটেইনমেন্ট টেলিভিশনের ‘’ইণ্ডিয়ান আইডল’’ এর একজন বিচারক ছিলেন।২০০৫ সালের ২৬ ফেব্ৰুয়ারি তিনি সাইফ আলি খান ও ফরিদা জালালের সাথে ৫০তম ফিল্মফেয়ার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠানে উপস্থাপিকা ছিলেন। তারপর তিনি ‘’মি এণ্ড মিসেস টেলিভিশন’’, ’’ইণ্ডিয়ান আইডল ৪’’, ’’ইণ্ডিয়া গট ট্যালেন্ট’’ অনুষ্ঠানে বিচারক ছিলেন। ২০১২ সালে তিনি কোরিয়োগ্ৰাফার টেরেঞ্চ লিরিসের সাথে লাইফ ওকে চ্যানেলে ‘’হিন্দুস্থান কে হুনরবাজ’’ নামক নৃত্যানুষ্ঠানে বিচারক ছিলেন।[১০][১১]
২০১২ সালের জুন মাসে বেন্দ্ৰে ‘’ইণ্ডিয়া গট ট্যালেন্ট ৪’’ এ বিচারকের আসন ছেড়ে দিলে গুজব উঠে। তার জায়গায় রিতেশ দেশমুখকে নেওয়ার কথা ভাবা হয়।[১২] অবশ্য পরে জানা যায় যে অনাগত কথাছবি ‘’ওয়ান্স আপন এ টাইম এগেইন’’কে সময় দিতে অনুষ্ঠানটি ছাড়েন।[১৩][১৪] পরে জুলাই এর শুরুতে তিনি ঘোষণা করেন যে[১৪][১৫] এই ছবি দিয়ে তার বলিউডে পুনরাগমণ হবে। নিৰ্দেশক মিলান লুথারিয়া তার চরিত্ৰটির বিষয়ে বলেন: "সোনালীর চরিত্ৰটির নাম মুমতাজ। ছবিতে এই চরিত্ৰটি অতি গুৰুত্বপূৰ্ণ। কারো মা,বোন বা বৌ নয়, বরং এর এক নিজস্ব পরিচয় আছে। চরিত্ৰটির এই বিশেষত্বের জন্য সোনালী এই ছবিতে কাজ করতে রাজি হয়।"[১৪] ২০০৪ সালে তিনি ছবিজগত থেকে বিদায় নেন। পুত্ৰসন্তানের জন্ম দেয়ার পর তিনি টেলিভিশন জগতে কাজ করেন। এর আগে তিনি বহু ছবির প্ৰস্তাব নাকচ করেন। কারণ তিনি পরিবার বিশেষত নিজের পুত্ৰকে অধিক গুরুত্ব দিয়েছিলেন। কিন্তু একতা ও শোভা কাপুরের সাথে তার বন্ধুত্ব আছে। তিনি বন্ধু লুথারিয়ার সাথে (চোরি চোরি) ও অক্ষয় কুমারের সাথে (তরাজু, সপুত, অংগারে, কিমত, আগ)তেও অভিনয় করেন।অক্ষয়ের সাথে তিনি ‘’ওয়ান্স আপন এ টাইম এগেইন” তে ও কাজ করেন।[১৬][১৭]
বৰ্ষ | ছবি | চরিত্ৰ | টীকা |
---|---|---|---|
১৯৯৪ | আগ | পারুল | |
১৯৯৪ | নারাজ | ||
১৯৯৫ | দ্য ডন | অনিতা মালিক | |
১৯৯৫ | গদ্দার | প্ৰিয়া | |
১৯৯৫ | টক্কর | মোহিনী | |
১৯৯৫ | বোম্বে' | তামিল চলচ্চিত্র, বিশেষ ভূমিকা | |
১৯৯৬ | রক্ষক | ড পূজা মালহোত্রা | |
১৯৯৬ | ইংলিশ বাবু দেশি মেম | বিজুরিয়া | |
১৯৯৬ | দিলজলে | রাধিকা | |
১৯৯৬ | অপনে দম পর | বিশেষ ভূমিকা | |
১৯৯৬ | সপুত | কাজল | |
১৯৯৭ | ভাই | মীনু | |
১৯৯৭ | তরাজু | পূজা | |
১৯৯৭ | কহর | নীলম | |
১৯৯৮ | কিমত-দেই অর বেক | মানসী | |
১৯৯৮ | ডুপ্লিকেট | লিলি | |
১৯৯৮ | হামসে বরকর কৌন | অনু | |
১৯৯৮ | মেজর সাব | নিশা | |
১৯৯৮ | অংগারে | রোমা | |
১৯৯৮ | জখম | সোনিয়া | |
১৯৯৯ | লাভ ইউ হামেশা | শিবানী | ২০০১ এ মুক্তিপ্ৰাপ্ত |
১৯৯৯ | কাদালার দিনাম | রোজা | তামিল ছবি তেলুগু ভাষায় ‘’প্ৰেমিকুলারোজু’’ হিসেবে হিন্দীী দিল হি দিল মে নামে পুনঃনির্মাণ |
১৯৯৯ | কান্নোড়ু কানবাথেল্লাম | কল্যাণী | তামিল ছবি |
১৯৯৯ | হাম সাথ-সাথ হ্যাঁয় | প্ৰীতি | |
১৯৯৯ | দহেক | সবিনা বক্সী/নীলিমা বক্সী | |
১৯৯৯ | সরফরোশ | সীমা | |
২০০০ | দিল হি দিল মে | রোজা | |
২০০০ | হামারা দিল আপকে পাছ হে | খুশী | |
২০০০ | ধাই অক্সর প্ৰেম কে | নিশা | বিশেষ ভূমিকা |
২০০০ | জিস দেশ মে গঙ্গা বেহতা হে | সারণী | |
২০০০ | প্ৰীথছে | কিরণ | কানাড়া ছবি |
২০০১ | মুরারি | বসুন্ধৰা | তেলুগু ছবি |
২০০১ | লাভ কে লিয়ে কুছ ভি করেগা | সপনা চোপ্ৰা | |
২০০১ | লজ্জা | নৰ্তকী | "মুঝে সাজনকে ঘর জানা হে" গানে বিশেষ আবিৰ্ভাব |
২০০১ | তেরা মেরা সাথ রহে | মাধুরি | |
২০০২ | ইন্দ্ৰ | পল্লবী | তেলুগু ছবি |
২০০২ | খড়গম | স্বাতী | তেলুগু ছবি |
২০০২ | মনমুধুড়ু | হরিকা | তেলুগু ছবি |
২০০৩ | অনাহত | রাণী শীলাবতী | মারাঠী ছবি |
২০০৩ | প্যায়ার কিয়া নহি জাতা | ||
২০০৩ | পলনতি ব্ৰহ্মানাইডু | শিবা নাগেশ্বৰী | তেলুগু ছবি |
২০০৩ | চোরি চোরি | পূজা | |
২০০৩ | কল হো না হো | প্ৰিয়া | অতিথি শিল্পী |
২০০৪ | শংকরদাদা এম.বি.বি.এস | ড সুনীতা | তেলুগু ছবি |
২০০৪ | আগা বাঈ অরেচা | মারাঠী ছবি | |
২০১৩ | ওয়ান্স আপন এ টাইম ইন মুম্বাই এগেইন | মুমতাজ | হিন্দি |
বছর | পুরস্কার | বিভাগ | ফলাফল | টীকা |
---|---|---|---|---|
১৯৯৪ | স্টার স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডস | স্টার স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডস সর্বাধিক আশাপ্রদ নবাগত - নারী | বিজয়ী | |
১৯৯৫ | ফিল্মফেয়ার পুরস্কার | ফিল্মফেয়ার লাক্স নতুন মুখ পুরস্কার - আগ | বিজয়ী | |
২০০০ | আন্তর্জাতিক ভারতীয় চলচ্চিত্র একাডেমি পুরস্কার | আইফা পুরস্কার - শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী - সরফরোশ | মনোনীত | |
২০০১ | আন্তর্জাতিক ভারতীয় চলচ্চিত্র একাডেমি পুরস্কার | আইফা পুরস্কার - শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী - হামারা দিল আপকে পাস হে | মনোনীত | |
২০০১ | স্টার স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডস | স্টার স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডস শ্রেষ্ঠ পার্শ্ব অভিনেত্রী – হামারা দিল আপকে পাস হে | বিজয়ী | |
২০০৪ | স্টার স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডস | স্টার স্ক্রিন অ্যাওয়ার্ডস, শ্রেষ্ঠ অভিনেত্রী মারাঠি – আনাহাত | বিজয়ী | |
২০১১ | গোল্ডেন প্যাটেল অ্যাওয়ার্ডস | সর্বাধিক ব্যক্তিত্ব – ইন্ডিয়া'স গট টেলেন্ট | বিজয়ী |