কোনো যৌগ যখন অষ্টক পূর্ণতার চেয়ে কম সংখ্যক ইলেকট্রন তার যোজ্যতা স্তরে ধারণ করে, তখন তাকে ইলেকট্রন ঘাটতি বলা হয়। এই ধরনের বন্ধনকে প্রায়শই ৩-কেন্দ্রীক-২-ইলেকট্রন বন্ধন বলা হয়ে থাকে। বোরনের কিছু যৌগে এই ধরনের ঘটনা পরিলক্ষিত হয়।[১]
ইলেকট্রন ঘাটতি শব্দটি প্রায়শ জৈব রসায়নে পাই-বন্ধন বোঝাতে ব্যবহৃত হয়ে থাকে। যেমন, অ্যালকেন, অ্যারিন প্রভৃতিতে এটা দেখা যায়, যেখানে পোলারায়ন ঘটে থাকে। এছাড়া নাইট্রোবেনজিন বা অ্যাক্রোলোনাইট্রাইল প্রভৃতি যৌগেও একই কারণে ইলেকট্রন দেখা যায়। সাধারণত কার্বন-কার্বন দ্বিবন্ধনে (C=C) নিউক্লিওফিলিক চরিত্র দেখা গেলেও এক্ষেত্রে ইলেকট্রন ঘাটতির কারণে এরা ইলেকট্রোফিলিক চরিত্রের অধিকারী হয়ে থাকে। তখন এরা নিউক্লিওফাইলের আক্রমণের শিকার হয়, যেমনটা মাইকেল সংযোজন বা নিউক্লিওফিলিক অ্যারোমেটিক প্রতিস্থাপন বিক্রিয়ায় হয়ে থাকে।[২]
উচ্চ পোলারায়িত যৌগ, যেমন বোরোন ট্রাইফ্লোরাইড বা সালফার টেট্রাফ্লোরাইড যৌগে ইলেকট্রন ঘাটতি থাকার কারণে এরা লুইস এসিড হিসেবে প্রবণতা দেখায়।