শ্রাবস্তীতে অলৌকিক ঘটনা , তালপাতার পাণ্ডুলিপি থেকে প্রজ্ঞাপারমিতা , নালন্দা , বিহার , ভারত ।
ঋদ্ধি (সংস্কৃত : ऋद्धि ) বা ইদ্ধি বলতে বৌদ্ধ দর্শনে "মানসিক ক্ষমতা"-কে বোঝায়।
এটি চারটি ধ্যানের মাধ্যমে উন্নত ধ্যানের মাধ্যমে অর্জিত ছয়টি অতিসাধারণ শক্তি (অভিজ্ঞা ) এর একটি। শব্দের প্রধান অর্থ "শক্তি" বলে মনে হয়।[ ৪]
শ্রাবস্তীতে অলৌকিক কাজ করছেন বুদ্ধের মূর্তি, তার কাঁধের উপরে অগ্নিশিখা, গান্ধার , ১০০-২০০ খ্রিস্টাব্দ।
বোকারের মতে, আটটি ঋদ্ধি ক্ষমতা রয়েছে:[ ৫]
নিজের শারীরিক ছবি প্রতিলিপি এবং প্রকল্প করা,
নিজেকে অদৃশ্য করা,
কঠিন বস্তুর মধ্য দিয়ে যাওয়া,
শক্ত মাটিতে ডুবে যাওয়া,
যে কোন মহাসাগর, নদী ইত্যাদিতে জলের উপর হাঁটা,
উড়া,
হাত দিয়ে সূর্য ও চন্দ্রকে স্পর্শ করা,
সর্বোচ্চ স্বর্গে দেবতা ব্রহ্মার জগতে আরোহণ করা (আকার পরিবর্তন)
ঋদ্ধিপদ-বিভঙ্গ সুত্ত (সনি ৫১.২০) অনুসারে:[ ৬]
এক হলে সে অনেক হয়ে যায়; অনেক হয়েছে সে এক হয়।
তিনি হাজির হলেন। সে অদৃশ্য হয়ে যায়।
সে দেয়াল, প্রাচীর, পর্বতমালার মধ্য দিয়ে বিনা বাধায় চলে যায় যেন মহাকাশের মধ্য দিয়ে।
সে পৃথিবীর ভেতরে ও বাইরে ডুব দেয় যেন এটা জল।
সে জলের উপর দিয়ে হাঁটছে না ডুবে গেছে যেন এটা শুকনো জমি।
আড়াআড়িভাবে বসে সে ডানাওয়ালা পাখির মতো বাতাসে উড়ে যায়।
তার হাত দিয়ে তিনি স্পর্শ করেন এবং স্ট্রোক করেন এমনকি সূর্য ও চাঁদ বা যেকোনো মহাকাশ বস্তুকে, এত শক্তিশালী ও শক্তিশালী।
তিনি অকনিষ্ঠ ব্রহ্মার জগতেও তার শরীরে প্রভাব বিস্তার করেন।