কুমামোতো প্রশাসনিক অঞ্চল 熊本県 | |
---|---|
প্রশাসনিক অঞ্চল | |
জাপানি প্রতিলিপি | |
• জাপানি | 熊本県 |
• রোমাজি | Kumamoto-ken |
![]() | |
স্থানাঙ্ক: ৩২°৪৩′ উত্তর ১৩০°৪০′ পূর্ব / ৩২.৭১৭° উত্তর ১৩০.৬৬৭° পূর্ব | |
দেশ | জাপান |
অঞ্চল | কিউশু |
দ্বীপ | কিউশু |
রাজধানী | কুমামোতো |
আয়তন | |
• মোট | ৭,৪০৪.১৪ বর্গকিমি (২,৮৫৮.৭৫ বর্গমাইল) |
এলাকার ক্রম | ১৬শ |
জনসংখ্যা (১লা মে ২০১১) | |
• মোট | ১৮,১২,২৫৫ |
• ক্রম | ২৩শ |
• জনঘনত্ব | ২৪৪.৭৬/বর্গকিমি (৬৩৩.৯/বর্গমাইল) |
আইএসও ৩১৬৬ কোড | JP-43 |
জেলা | ৯ |
পৌরসভা | ৪৫ |
ফুল | জেন্শিয়ান (জেন্শিয়ানা স্ক্যাব্রা বি. বার্গারি) |
গাছ | কর্পূর গাছ (সিনামোমাম ক্যাম্ফোরা) |
পাখি | ইউরেশীয় স্কাইলার্ক (অ্যালাউডা আর্ভেন্সিস) |
ওয়েবসাইট | www |
কুমামোতো প্রশাসনিক অঞ্চল (熊本県? কুমামোতো কেন্) হল জাপানের কিউশু দ্বীপে অবস্থিত একটি প্রশাসনিক অঞ্চল।[১] এর রাজধানী কুমামোতো নগর।[২]
কুমামোতো অঞ্চলে মানুষের বসতি ৩০,০০০ বছরের পুরোনো। প্রাথমিকভাবে শিকারী ও জোগাড়ে পর্যায়ের মানুষ ক্রমে পাথরের ব্যবহার শেখে। এখানকার প্রাচীনতম পাথরের বাসন ও যন্ত্রপাতি পাওয়া গেছে কুমামোতো নগরের হিরায়ামা শহরে। আকাহোয়্যা ইত্যাদি আগ্নেয়গিরির অধঃক্ষেপ থেকে এগুলি উদ্ধার করা হয়েছে। কোগাসাওয়া আগ্নেয়গিরির অধঃক্ষেপের তেজস্ক্রিয় কার্বন তারিখ গণনার মাধ্যমে এগুলির বয়স নির্ণয় করা গেছে।[৩]
জাপানের সব জায়গার মত বিভিন্ন যুগে বিভিন্ন পরিবার কুমামোতো অঞ্চলেও কর্তৃত্ব করেছে। ঐতিহাসিকভাবে এটি হিগো প্রদেশ নামে পরিচিত ছিল। মেইজি পুনর্গঠনের সময় হান্ ব্যবস্থার লোপ ও প্রশাসনিক অঞ্চল ব্যবস্থার প্রচলন হয়। ১৮৭১ খ্রিঃ হিগো প্রদেশে কুমামোতো ও য়াৎসুশিরো প্রশাসনিক অঞ্চল গঠিত হয়। ১৮৭৬ খ্রিঃ এই দুটি প্রশাসনিক অঞ্চলকে শেষ বারের মত জুড়ে কুমামোতো প্রশাসনিক অঞ্চল হিসেবে চিহ্নিত করা হয়।
দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধের অংশ প্রশান্ত মহাসাগরীয় যুদ্ধের আগে অবধি কুমামোতোকে কিউশুর কেন্দ্র মনে করা হত। কিন্তু যুদ্ধোত্তর জাপানে ক্রমশ ফুকুওকা প্রশাসনিক অঞ্চলের গুরুত্ব কুমামোতোকে ছাড়িয়ে যায়।
কুমামোতো প্রশাসনিক অঞ্চল মোটামুটি কিউশু দ্বীপের কেন্দ্রে অবস্থিত। এর পশ্চিমে আরিয়াকে সাগর ও আমাকুসা দ্বীপপুঞ্জ, উত্তরে ফুকুওকা ও ওওইতা প্রশাসনিক অঞ্চল, পূর্বে মিয়াযাকি প্রশাসনিক অঞ্চল এবং দক্ষিণে কাগোশিমা প্রশাসনিক অঞ্চল।
কুমামোতোর পূর্বাঞ্চলে অবস্থিত ১৫৯২ মিটার উঁচু আসো পর্বত একটি সক্রিয় আগ্নেয়গিরি। এটি আসো ক্যালডেরার মধ্যে অবস্থিত।
২০০৮ এর ৩১শে মার্চের হিসেব অনুযায়ী কুমামোতো প্রশাসনিক অঞ্চলের মোট ভূমির ২১ শতাংশ সংরক্ষিত বনাঞ্চল। এর মধ্যে আছে আসো-কুজূ ও উন্যেন-আমাকুসা জাতীয় উদ্যান; কিউশু চুও সাঞ্চি ও য়াবা-হিতা-হিকোসান উপ-জাতীয় উদ্যান এবং সাতটি প্রশাসনিক আঞ্চলিক উদ্যান।[৪]
কুমামোতো প্রশাসনিক অঞ্চলের কুমামোতো নগর-সংলগ্ন এলাকার জলবায়ু প্রশান্ত মহাসাগর দ্বারা প্রভাবিত মৃদু প্রকৃতির। কিন্তু শীত ও গ্রীষ্মে উষ্ণতার বেশ পার্থক্য আছে। অক্ষাংশের তুলনায় কুমামোতোয় বেশি শীত পড়ে। বার্ষিক গড় তাপমাত্রা ১৬ থেকে ১৭ ডিগ্রি সেলসিয়াস। গ্রীষ্মে প্রায়শই উষ্ণতা ৩৫ ডিগ্রি ছাড়িয়ে যায়; সন্ধ্যেবেলা নিকটস্থ সমুদ্রের প্রভাবে ঘন কুয়াশা পড়ে। বার্ষিক গড় ২০০০ সেমি বৃষ্টিপাতের ৪০% হয় জুন ও জুলাই মাসে।
অন্যদিকে আসো পার্বত্য অঞ্চলের জলবায়ু শীতল ও কঠোর। এটি কিউশু দ্বীপের শীতলতম স্থান। আসো পর্বতের শীতকালীন তাপমাত্রা প্রায়ই হিমাঙ্কের ১৫ ডিগ্রি নিচে নেমে যায়।
ওপেনস্ট্রিটম্যাপে কুমামোতো প্রশাসনিক অঞ্চল সম্পর্কিত ভৌগোলিক উপাত্ত