![]() ২০০৪ সালের গৃহীত স্থিরচিত্রে ক্রেগ কামিং | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ব্যক্তিগত তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
পূর্ণ নাম | ক্রেগ ডেরেক কামিং | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
জন্ম | তিমারু, ক্যান্টারবারি অঞ্চল, নিউজিল্যান্ড | ১৩ আগস্ট ১৯৭৫|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ব্যাটিংয়ের ধরন | ডানহাতি | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
বোলিংয়ের ধরন | ডানহাতি মিডিয়াম | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ভূমিকা | উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
আন্তর্জাতিক তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
জাতীয় দল |
| |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
টেস্ট অভিষেক (ক্যাপ ২২৮) | ১০ মার্চ ২০০৫ বনাম অস্ট্রেলিয়া | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
শেষ টেস্ট | ১২ জানুয়ারি ২০০৮ বনাম বাংলাদেশ | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ওডিআই অভিষেক (ক্যাপ ১৩০) | ২৯ নভেম্বর ২০০৩ বনাম পাকিস্তান | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
শেষ ওডিআই | ১০ ফেব্রুয়ারি ২০০৯ বনাম অস্ট্রেলিয়া | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ঘরোয়া দলের তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
বছর | দল | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
২০০০ – ২০১০ | ওতাগো | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
১৯৯৫ – ২০০০ | ক্যান্টারবারি | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১১ মে ২০১৯ |
ক্রেগ ডেরেক কামিং (ইংরেজি: Craig Cumming; জন্ম: ৩১ আগস্ট, ১৯৭৫) তিমারু এলাকায় জন্মগ্রহণকারী প্রথিতযশা ও সাবেক নিউজিল্যান্ডীয় আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ২০০৩ থেকে ২০০৯ সময়কালে নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছিলেন। ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর নিউজিল্যান্ডীয় ক্রিকেটে ওতাগো দলের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও, ডানহাতে মিডিয়াম বোলিংয়ে পারদর্শিতা দেখিয়েছেন ক্রেগ কামিং।
খেলোয়াড়ী জীবনের শুরুতে ক্যান্টারবারির পক্ষে খেলেছেন। এ দলটির পক্ষেই প্রথম-শ্রেণীর খেলা ও লিস্ট এ ক্রিকেটে অভিষেক ঘটে তার। ২০০৬-০৭ মৌসুমে স্টেট চ্যাম্পিয়নশীপ, স্টেট শীল্ড ও স্টেট টুয়েন্টি২০ প্রতিযোগিতায় ওতাগো ভোল্টসের পক্ষে খেলেন ও এক পর্যায়ে দলের সহঃঅধিনায়কের দায়িত্বপ্রাপ্ত হন।
নিউজিল্যান্ডীয় ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট প্রতিযোগিতা প্লাঙ্কেট শীল্ডে ৬,৫৮৯ রান তুলে সর্বাধিক রান সংগ্রহকারীর ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। ঘরোয়া পর্যায়ে কিছু ভালোমানের খেলা প্রদর্শন করেছিলেন। ওতাগোর পক্ষে ৪৬.৯৩ গড়ে ৭৫১ রান তুলেন। ২০০৮-০৯ মৌসুমে এ সংগ্রহকে প্রায় ৬০-এর কাছাকাছি গড়ে ৭৮৪ রানে নিয়ে যান।
ডানহাতি উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে ক্রেগ কামিং খেলতেন। ৯৯টি প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেটে, ১০৩টি লিস্ট এ ক্রিকেট বা সীমিত ওভারের খেলা ও ৯টি টুয়েন্টি২০ খেলায় অংশ নিয়েছেন। হক কাপে সাউথ ক্যান্টারবারির পক্ষে খেলেছেন ক্রেগ কামিং। পারিওরা ক্রিকেট ক্লাবে খেলেছেন।
আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ব্যাপক অর্থেই ব্যর্থতার প্রতিচিত্র ছিলেন ক্রেগ কামিং। ব্যাটিংয়ের দূর্বলতার কারণে কেবলমাত্র ১১ টেস্টে অংশগ্রহণের সুযোগ পেয়েছিলেন তিনি। সমগ্র খেলোয়াড়ী জীবনে একটিমাত্র অর্ধ-শতকের ইনিংসের সন্ধান পেয়েছেন তিনি। ৭৪ রানই টেস্টে তার সর্বোচ্চ। টেস্টের কোন ইনিংসেই তিন অঙ্কের কোটা স্পর্শ করতে পারেননি। সচরাচর আধুনিককালের নিউজিল্যান্ডীয় টেস্ট ক্রিকেটে সর্বাপেক্ষা বাজে উদ্বোধনী ব্যাটসম্যান হিসেবে পরিগণিত হয়ে আসছেন তিনি।
নিউজিল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেট অঙ্গনে টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিকে অংশ নিয়েছেন তিনি। ২০০৩-০৪ মৌসুমে নিউজিল্যান্ডের দ্বিতীয়সারির ওডিআই দল হিসেবে পাকিস্তান গমন করলেও সীমিত ওভারের খেলায়ও স্থানচ্যূত হন। নিজস্ব বারোটি ওডিআইয়ে একবারও অর্ধ-শতকের ইনিংস খেলার সুযোগ পাননি। ২০০৪-০৫ মৌসুমে সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বেশ আকর্ষণীয়ভাবে টেস্ট অভিষেক ঘটে। ক্রাইস্টচার্চে প্রতিপক্ষীয় বোলারদেরকে রুখে ৭৪ রান করেন। ৫ মার্চ, ২০০৫ তারিখে সফরকারী অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে মুখোমুখি হন। নেপিয়ারে ব্রেট লি’র করা ১৬০.৮ কিলোমিটার গতিবেগের বলটি মোকাবেলা করেছিলেন তিনি ও বোল্ড হন।[১]
তবে, এরপর থেকেই তিনি তার খেলায় খেঁই হারিয়ে ফেলেন। এরপর একই মৌসুমে নিজ দেশে সফরকারী শ্রীলঙ্কা ও ২০০৬-০৭ মৌসুমে আবারও টেস্ট খেলার জন্যে মনোনীত হন। কিন্তু, তিনি আর অন্য কোন ইনিংসে অর্ধ-শতকের কোটা স্পর্শ করতে ব্যর্থ হন। নিউজিল্যান্ড ক্রিকেট কর্তৃপক্ষ ফাস্ট বোলারদের মান যাচাই বাছাই করতে তাকে পুনরায় দলে রাখে। ২০০৭-০৮ মৌসুমে দক্ষিণ আফ্রিকা গমনে টেস্ট দলে ঠাঁই দেয়া হয়। কিন্তু, ডেল স্টেইনের বাউন্সারের তোপে তাকে অনেক আগেই দেশে চলে আসতে হয়েছিল। ২০০৭ সালে তিনি ডেল স্টেইনের শর্ট বল মোকাবেলা করতে গিয়ে চিবুকে মারাত্মকভাবে আঘাতপ্রাপ্ত হন। তার ভাষ্যমতে, ঐ বলটি গল্ফ খেলার ন্যায় আসে। এটিও তার খেলোয়াড়ী জীবন থেকে অবসর গ্রহণের অন্যতম কারণ ছিল।[২]
২০০৬-০৭ মৌসুমে ক্রিকেট খেলা থেকে অবসর নেন। বর্তমানে তিনি ডুনেডিনভিত্তিক নিউজটক জেবিতে স্থানীয় ক্রীড়া অনুষ্ঠান পরিচালনা করছেন। এছাড়াও স্কাই স্পোর্টসে নিউজিল্যান্ডীয় ঘরোয়া ও আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে ধারাভাষ্যকার হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।