বম্বার্ডিয়ার ড্যাশ-৮ কিউ সিরিজ | |
---|---|
![]() | |
ভূমিকা | টার্বোপ্রপ ইঞ্জিন বিশিষ্ট এয়ারলাইনার |
নির্মাতা | ডি হ্যাভিল্যান্ড কানাডা বোম্বারডিয়ার এভিয়েশন |
প্রথম উড্ডয়ন | ২০ জুন ১৯৮৩। |
অবস্থা | পরিসেবায় নিয়োজিত |
মুখ্য ব্যবহারকারী | জ্যাজ এয়ারলাইন্স হরাইজন এয়ার স্পাইসজেট ফ্লাইবাই বিমান বাংলাদেশ এয়ারলাইন্স |
নির্মিত হচ্ছে | ১৯৮৩–বর্তমান |
নির্মিত সংখ্যা | ১১৫৮ (৩১ মার্চ ২০১৫ পর্যন্ত)[১] |
ইউনিট খরচ | ড্যাস-৮-১০০ ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ড্যাস-৮-কিউ২০০ ১৩ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ড্যাস-৮-কিউ৩০০ ১৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার ড্যাস-৮-কিউ৪০০ ৩৭ মিলিয়ন মার্কিন ডলার[২] |
যা হতে উদ্ভূত | ডি হ্যাভিল্যান্ড কানাডা ড্যাশ ৭ |
বম্বার্ডিয়ার ড্যাশ-৮ হল দুইটি টার্বোপ্রপ ইঞ্জিন বিশিষ্ট মাঝারি পাল্লার বিমান। ১৯৮৪ সালে ডি হ্যাভিল্যান্ড কানাডা সর্বপ্রথম বিমানটি তৈরী করলেও বর্তমানে বম্বার্ডিয়ার এরোস্পেস এর উৎপাদন করছে। আজ পর্যন্ত এই মডেলের প্রায় ১০০০ টি বিমান তৈরী করা হয়েছে।[৩] ২০১৬ সালের মধ্যে বম্বার্ডিয়ার সব মডেল ও প্রকরণ মিলিয়ে সর্বমোট উৎপাদিত বিমানের সংখ্যা ১১৯২ তে উন্নীত করার লক্ষ্মাত্রা স্থির করেছে।[৪]
ড্যাশ-৮ বিমানটি খুব ছোট রানওয়ে থেকে উড্ডয়নক্ষম ডি হ্যাভিল্যান্ড কানাডা ড্যাশ ৭ থেকে উন্নয়ন করা হয়েছে। ড্যাশ-৮ বিমানটি স্বল্প খরচে নিরবচ্ছিন্ন ও মসৃণ উড্ডয়নের কথা মাথায় রেখে তৈরী করা হয়েছিল। বিমানটির চারটি প্রকরণ বাজারে রয়েছে, তার মধ্যে ১০০ সিরিজের সর্বোচ্চ যাত্রী ধারণক্ষমতা ৩৯ জন এবং ২০০ সিরিজের প্রকরণগুলো একই ধারণক্ষমতা সম্পন্ন হলেও আরও শক্তিশালী ইঞ্জিন সংযুক্ত ছিল। ড্যাশ-৮-৩০০ সিরিজগুলো একটু সম্প্রসারণের মাধ্যমে ৫০ জন যাত্রী ধারণক্ষম করা হয় এবং পরবর্তীতে ৭৮ জন যাত্রী ধারণক্ষমতায় উন্নীত করে ৪০০ প্রকরণটি তৈরী করা হয়। ১৯৯৭ সালের পর থেকে এই মডেলের যত বিমান তৈরী হয় তাতে কেবিন নয়েজ সাপ্রেশনের ব্যবস্থা রাখা হয় এবং এগুলিকে ইংরেজি অক্ষর কিউ (Q) দ্বারা চিহ্নিত করা হয়।[৫]