দুধ দোহন হল গবাদি পশু, জল মহিষ, মানুষ, ছাগল, ভেড়া এবং খুব কমই উট, ঘোড়া এবং গাধার মত স্তন্যপায়ীর দুগ্ধ গ্রন্থি থেকে দুধ অপসারণের কাজ। দুধ দোহন হাত দ্বারা বা মেশিন দ্বারা করা যেতে পারে, এবং পশুটি বর্তমানে বা সম্প্রতি গর্ভবতী হওয়া প্রয়োজন। দোহনকারী হয় সেই পশুকে উল্লেখ করতে পারে যেটি দুধ উত্পাদন করে বা যে ব্যক্তি সেই প্রাণীটির দুধ দোহন করে তাকে উল্লেখ করতে পারে। [১]
প্রাণির ওলান (দুগ্ধ গ্রন্থি) ম্যাসেজ করে এবং প্রতিটি বাট টেনে দুধ নামিয়ে একটি বালতি ভরা হয়। দুটি প্রধান পদ্ধতি ব্যবহার করা হয়:
উন্নত বিশ্বে বেশির ভাগ দুধ দোহন মেশিন দিয়েই করা হয়। [২] বাট কাপগুলি গরুর বাটে সাথে সংযুক্ত করে দুধ দোহন করা হয়। সঞ্চয়ের জন্য দুধের বড় কাঁচা ট্যাঙ্কে ঢালার আগে দুধকে ছাঁকা হয় এবং ঠান্ডা করা হয়। [৩]
দুধ দোহনের গড় সময় ৫-৭ মিনিট এবং একটি গাভীর দুধ দিনে ২-৩ বার মেশিন দোহন করা যায়। [৪]
বিদ্যমান রোবোটিক মিল্কিং গাভীকে কখন দুধ দিতে হবে তা সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা দিয়েছে, তবে এখনও মানুষের সাথে যোগাযোগ করতে হয়। [৫]
মেশিনে দুধ দোহনের একটি পরিচিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হল গরুর মাস্টাইটিস। অ-জীবাণুমুক্ত মেশিনগুলির জন্য বাটের মধ্যে ব্যাকটেরিয়া প্রবেশ করতে পারে এবং সংক্রমণ ঘটাতে পারে। আরেকটি পার্শ্ব প্রতিক্রিয়া হল মেশিন দ্বারা বাটের শারীরিক ক্ষতি।
অ্যান্টিভেনম তৈরির জন্য সাপ এবং মাকড়সা থেকে বিষ অপসারণ বর্ণনা করতেও ইংরেজি ''মিল্কিং'' (বা দুধ দোহন) শব্দটি ব্যবহৃত হয়।
মাকড়সার বিষ মিল্কিং মনুষ্য উদ্দীপনা বা বৈদ্যুতিক উদ্দীপনার মাধ্যমে করা যেতে পারে। আগেরটি মাকড়সার বেশি আঘাতের কারণ হয় এবং পরেরটি উচ্চ মানের বিষ তৈরি করে। [৬]