দ্বিতীয় আবদুর রহমান | |
---|---|
কর্ডোবার আমির | |
রাজত্ব | ৮২২–৮৫২ |
পূর্বসূরি | প্রথম আল-হাকাম |
উত্তরসূরি | প্রথম মুহাম্মদ |
জন্ম | ৭৮৮ টলেডো |
মৃত্যু | ৮৫২ (বয়স ৬৪) কর্ডোবা |
দ্বিতীয় আবদুর রহমান (আরবি: عبد الرحمن الثاني) (৭৮৮-৮৫২) ছিলেন আল-আন্দালুসে উমাইয়া খিলাফতের অধীনস্থ কর্ডোবার আমির। তিনি ৮২২ থেকে শুরু করে আমৃত্যু দায়িত্ব পালন করেন।[১]
দ্বিতীয় আবদুর রহমান টলেডোয় জন্মগ্রহণ করেন। তিনি আমির প্রথম আল-হাকামের পুত্র ছিলেন। যৌবনে তিনি কথিত “পরিখার গণহত্যায়” অংশ নেন। এখানে ৭০০ থেকে ৫০০০ ব্যক্তি যুবরাজের প্রতি আনুগত্য স্বীকার করতে আসলে আল-হাকামের নির্দেশে তাদেরকে হত্যা করা হয়।
৮২২ সালে তিনি তার পিতার উত্তরসূরি হিসেবে কর্ডোবার আমির হন এবং দ্বিতীয় অলফেনসোর সাথে যুদ্ধে জড়িয়ে পড়েন। তিনি অলফেনসোর দক্ষিণমুখী অগ্রযাত্রা রুখে দেন। ৮৩৭ সালে তিনি টলেডোয় খ্রিষ্টান ও ইহুদিদের একটি বিদ্রোহ দমন করেন। ধর্মীয় উদ্দেশ্যে আত্মাহুতি নিষিদ্ধ মর্মে তিনি একটি খ্রিষ্টানদের জন্য একটি ডিক্রি জারি করেন। একে নিরুৎসাহিত করার জন্য তার একটি খ্রিষ্টান সাইনড ছিল।
৮৪৪ সালে আবদুর রহমান ভাইকিংদের একটি আক্রমণ রুখে দেন। তারা কাদিজে অবতরণ করে ও সেভিল জয় করে। তবে তারা এর দুর্গ জয় করতে ব্যর্থ হয়। তারা কর্ডোবা আক্রমণ করে। আবদুর রহমান ভবিষ্যত প্রতিরোধের জন্য একটি নৌবাহিনী গঠন করেন ও নৌ অস্ত্রাগার গড়ে তোলেন।
চার্লস দ্য বাল্ডের বিরুদ্ধে উইলিয়ামের সাহায্যের আবেদনে দ্বিতীয় আবদুর রহমান সাড়া দেন।
কর্ডোবায় তার ভবন নির্মাণ কার্যক্রমের জন্য তিনি বিখ্যাত ছিলেন। এখানেই তিনি ৮৫২ সালে মৃত্যুবরণ করেন। কর্ডোবা মসজিদ-ক্যাথেড্রালের অংশবিশেষ তিনি নির্মাণ করেন।[১] একজন তেজস্বী যোদ্ধার পাশাপাশি তিনি শিল্পের সমাদরকারীও ছিলেন।[২] কর্ডোবার আত্মাহুতি বলে পরিচিত ঘটনায় তিনি যুক্ত ছিলেন।
এই নিবন্ধটি একটি প্রকাশন থেকে অন্তর্ভুক্ত পাঠ্য যা বর্তমানে পাবলিক ডোমেইনে: চিসাম, হিউ, সম্পাদক (১৯১১)। ব্রিটিশ বিশ্বকোষ (১১তম সংস্করণ)। কেমব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস।
দ্বিতীয় আবদুর রহমান বনু কুরাইশ এর ক্যাডেট শাখা মৃত্যু: ৮৫২
| ||
পূর্বসূরী প্রথম আল-হাকাম |
কর্ডোবার আমির ৮২২–৮৫২ |
উত্তরসূরী প্রথম মুহাম্মদ |