লেখক | স্যার এডউইন আর্নল্ড |
---|---|
বিষয় | গৌতম বুদ্ধ |
প্রকাশনার তারিখ | জুলাই, ১৮৭৯ |
দ্য লাইট অফ এশিয়া: দ্য গ্রেট রিনানসিয়াশন হল স্যার এডউইন আর্নল্ডের লেখা একটি বই। ১৮৭৯ সালের জুলাই মাসে লন্ডনে এই বইটির প্রথম সংস্করণ প্রকাশিত হয়।
এই বইটিতে আখ্যানকাব্যের আকারে রাজপুত্র সিদ্ধার্থ গৌতমের (যিনি পরবর্তীকালে বোধি-প্রাপ্ত হয়ে গৌতম বুদ্ধ নামে পরিচিত হন) জীবন ও সময়কালের বর্ণনা দেওয়া হয়েছে। এই বইতে তার জীবন, চরিত্র ও দর্শনের কথা একগুচ্ছ কবিতার আকারে বর্ণিত হয়েছে। বইটি ললিতবিস্তার সূত্র অবলম্বনে রচিত।
এই বইটি প্রকাশের কয়েক দশক আগে পর্যন্ত এশিয়ার বাইরে বুদ্ধ ও তার প্রতিষ্ঠিত ২,৫০০ বছরের পুরনো বৌদ্ধধর্ম সম্পর্কে লোকের জ্ঞান খুব কমই ছিল। আর্নল্ডের বইটি পাশ্চাত্যে বৌদ্ধধর্মকে জনপ্রিয় করে তোলার প্রথম সফল প্রচেষ্টাগুলির একটি।[১][২]
প্রথম প্রকাশনার সময় থেকেই বইটি উচ্চ প্রশংসিত হয়। বইটি কয়েকবার সংশোধিতও হয়। একাধিক ভাষায় বইটি অনূদিত হয়েছিল। হিন্দিতে বইটি অনুবাদ করেছিলেন আচার্য রামচন্দ্র শুক্ল।
১৯৪৫ সালে অস্কার ওয়াইল্ডের দ্য পিকচার অফ ডোরিয়ান গ্রে (১৮৯১) উপন্যাসের চলচ্চিত্রায়ণে দেখানো হয়েছিল, নায়ক কারারুদ্ধ হলে তার এক বন্ধু তাকে এই বইটির একটি কপি দিয়ে সুন্দর জীবনে ফিরিয়ে আনার চেষ্টা করছে।
প্রথম ছয়টি অধ্যায়ে বুদ্ধের প্রথম জীবনের কথা রয়েছে: কপিলাবস্তুর রাজপুত্র রূপে তার জন্ম, মানবজাতির দুঃখ সম্পর্কে তার প্রথম প্রত্যক্ষ জ্ঞান অর্জন, তার ধ্যানাবস্থা, এবং বহু বছর ধ্যানের পর তার বোধি লাভ। পরবর্তী অধ্যায়গুলিতে বুদ্ধের ভ্রমণ ও বাণীপ্রচারের কথা রয়েছে।
ফ্রান্স অস্টেন ও হিমাংশু রাই ১৯২৮ সালে এই বই অবলম্বনে প্রেম সন্ন্যাস (ইংরেজিতে দ্য লাইট অফ এশিয়া) নামে একটি চলচ্চিত্র নির্মাণ করেন।[৩]
ডেভিড বাক এই বইটি অবলম্বনে দ্য লাইট অফ এশিয়া নামে একটি গীতি আলেখ্য রচনা করেছিলেন। এটি ১৮৮৭ সালে প্রথম মঞ্চায়িত হয়।[৪]
Clausen, C., "Sir Edwin Arnold's Light of Asia and Its Reception," Literature East and West, XVII (1973), 174-191.