![]() | |||
ডাকনাম | ফুটবল ফার্ন[১] | ||
---|---|---|---|
অ্যাসোসিয়েশন | নিউজিল্যান্ড ফুটবল | ||
কনফেডারেশন | ওএফসি (ওশেনিয়া) | ||
প্রধান কোচ | জিতকা ক্লিমকোভা | ||
অধিনায়ক | আলি রিলে | ||
সর্বাধিক ম্যাচ | রিয়া পার্সিভাল (১৬৬) | ||
শীর্ষ গোলদাতা | অ্যাম্বার হার্ন (৫৪) | ||
ফিফা কোড | NZL | ||
| |||
ফিফা র্যাঙ্কিং | |||
বর্তমান | ৩০ ![]() | ||
সর্বোচ্চ | ১৬ (ডিসেম্বর ২০১৩ ষ, জুলাই ২০১৫ – মার্চ ২০১৬) | ||
সর্বনিম্ন | ৩০ (ডিসেম্বর ২০২৩) | ||
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা | |||
![]() ![]() (হংকং; ২৫ আগস্ট ১৯৭৫) | |||
বৃহত্তম জয় | |||
![]() ![]() (অকল্যান্ড, নিউজিল্যান্ড; ৯ অক্টোবর ১৯৯৮) | |||
বৃহত্তম পরাজয় | |||
![]() ![]() (ব্রিসবেন, অস্ট্রেলিয়া; ২৪ ফেব্রুয়ারি ২০০৪) | |||
বিশ্বকাপ | |||
অংশগ্রহণ | ৬ (১৯৯১-এ প্রথম) | ||
সেরা সাফল্য | গ্রুপ পর্ব (১৯৯১, ২০০৭, ২০১১, ২০১৫, ২০১৯, ২০২৩) | ||
অলিম্পিক গেমস | |||
অংশগ্রহণ | ৪ (২০০৮-এ প্রথম) | ||
সেরা সাফল্য | কোয়ার্টার-ফাইনাল (২০১২) | ||
ওএফসি মহিলা নেশন্স কাপ | |||
অংশগ্রহণ | ১১ (১৯৮৩-এ প্রথম) | ||
সেরা সাফল্য | বিজয়ী (১৯৮৩, ১৯৯১, ২০১০, ২০১৪, ২০১৮) |
নিউজিল্যান্ড জাতীয় মহিলা ফুটবল দল (ফিফা কর্তৃক আওতারোয়া নিউজিল্যান্ড হিসাবে স্বীকৃত)[৩] নিউজিল্যান্ড ফুটবল (এনজেডএফ) দ্বারা পরিচালিত হয়। তাদের ডাকনাম ফুটবল ফার্নস।
নিউজিল্যান্ড জাতীয় দল ছয়বার ফিফা মহিলা বিশ্বকাপে অংশ নিয়েছে, ১৯৯১ সালে তাদের অভিষেক হয়েছিল।[৪] অস্ট্রেলিয়ার পাশাপাশি নিউজিল্যান্ড ২০২৩ বিশ্বকাপের সহ-আয়োজক।[৫] সব ম্যাচেই গ্রুপ পর্বে যেতে ব্যর্থ হয়েছে তারা।