ব্যক্তিগত তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
পূর্ণ নাম | পিটার মুরস | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
জন্ম | ম্যাকক্লেসফিল্ড, চেশায়ার, ইংল্যান্ড | ১৮ ডিসেম্বর ১৯৬২|||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ডাকনাম | স্টিজসি | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
উচ্চতা | ৬ ফুট ০ ইঞ্চি (১.৮৩ মিটার) | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ব্যাটিংয়ের ধরন | ডানহাতি | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ভূমিকা | উইকেট-রক্ষক, কোচ | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ঘরোয়া দলের তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
বছর | দল | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
১৯৮৫–১৯৯৮ | সাসেক্স | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
১৯৮৮–১৯৮৯ | অরেঞ্জ ফ্রি স্টেট | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
১৯৮৩–১৯৮৪ | ওরচেস্টারশায়ার | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ১ মে ২০১৭ |
পিটার মুরস (ইংরেজি: Peter Moores; জন্ম: ১৮ ডিসেম্বর, ১৯৬২) চেশায়ারের ম্যাকেলসফিল্ডে জন্মগ্রহণকারী কোচ ও সাবেক ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটার। ১৯ এপ্রিল, ২০১৪ তারিখ থেকে মে, ২০১৫ সাল পর্যন্ত দ্বিতীয়বারের মতো ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেন। মূলতঃ উইকেট-রক্ষক হিসেবেই মাঠে নেমেছেন তিনি। ডানহাতে ব্যাটিংয়ে অভ্যস্ত মুরস কাউন্টি ক্রিকেটে সাসেক্স, অরেঞ্জ ফ্রি স্টেট এবং ওরচেস্টারশায়ার ক্রিকেট দলে খেলেছেন।
ওরচেস্টারশায়ার ও সাসেক্সের পক্ষে তিনি উইকেট-রক্ষকের দায়িত্ব পালন করেন। এছাড়াও সাসেক্স দলের পক্ষ হয়ে ১৯৯৭ সালে অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করেছেন মুরস।[১] ১৯৯৮ সালে প্রথম-শ্রেণীর ক্রিকেট থেকে অবসর গ্রহণ করেন তিনি।
২০০৩ সালে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপে সাসেক্স দলেই তিনিই সর্বাপেক্ষা সফল হয়েছিলেন। ২০০০-০১ মৌসুমে ওয়েস্ট ইন্ডিজ সফরে ইংল্যান্ড এ দলের কোচের দায়িত্ব পালন করেন। এরপর এপ্রিল, ২০০৭ সালে ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের কোচের দায়িত্ব পান।[২] ১৮ জানুয়ারি, ২০০৮ তারিখে ইংল্যান্ড এবং ওয়েলস ক্রিকেট বোর্ডের পক্ষ থেকে জাতীয় দল নির্বাচকমণ্ডলীর অন্যতম সদস্য হিসেবে ডেভিড গ্রাভেনির স্থলাভিষিক্ত হন। চার সদস্যবিশিষ্ট দল নির্বাচকমণ্ডলীর তালিকায় তার সাথে পিটার মুরস, জেমস হুইটেকার ও অ্যাশলে জাইলস অন্তর্ভুক্ত ছিলেন।[৩] কিন্তু ৭ জানুয়ারি, ২০০৯ তারিখে জনরোষে পড়ে তিনি কোচের দায়িত্ব ছেড়ে দিতে বাধ্য হন। পাশাপাশি ইংল্যান্ড দলের অধিনায়ক কেভিন পিটারসনও অধিনায়কত্ব হারান।[৪]
১১ ফেব্রুয়ারি, ২০০৯ তারিখে ল্যাঙ্কাশায়ার কাউন্টি ক্রিকেট ক্লাবের কোচ হিসেবে মনোনীত হন।[৫] এরপর তার পরিচালনায় ল্যাঙ্কাশায়ার দল ২০১১ সালে কাউন্টি চ্যাম্পিয়নশীপে শিরোপা পায়। এরফলে তিনি ৭৭ বছরের মধ্যে প্রথম কোচ হিসেবে দুইটি পৃথক কাউন্টিকে চ্যাম্পিয়নশীপ শিরোপা লাভে সক্ষমতা দেখান। ২০১২ সালে ইসিবি কর্তৃক সেরা কোচদের সম্মানীয় ফেলোশীপ লাভ করেন।
ল্যাঙ্কাশায়ার কোচের সাফল্যে ১৯ এপ্রিল, ২০১৪ তারিখে তাকে অ্যান্ডি ফ্লাওয়ারের পরিবর্তে ইংল্যান্ডের প্রধান কোচের দায়িত্ব প্রদান করা হয়। কিন্তু ২০১৫ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপে দলের হতাশাব্যঞ্জক ফলাফলের প্রেক্ষিতে মে, ২০১৫ সালে তাকে কোচের দায়িত্ব থেকে অব্যহতি দেয়া হয়। তার পরিবর্তে সফরকারী নিউজিল্যান্ড দলের বিপক্ষে দলের খেলা পরিচালনার জন্য সহকারী কোচ পল ফারব্রেসকে সাময়িকভাবে কোচের দায়িত্বভার অর্পণ করা হয়।
২০০৯ সালের শুরুতে টেস্ট ও একদিনের আন্তর্জাতিকে ভারতের কাছে সিরিজ হারলে ইসিবি ইংল্যান্ড অধিনায়ক কেভিন পিটারসনকে জরুরী সভায় তলব করে ও দলে মুরসের ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন তোলে।[৬] পরদিন পিটারসন গণমাধ্যমে জন অসন্তুষ্টির কথা তুলে ধরেন ও শীঘ্রই মুরসকে কোচের পদ থেকে পদত্যাগে বাধ্য করা হবে বলে জানান।[৭] দলের প্রশিক্ষণ, সম্ভাব্য ও সাবেক অধিনায়ক মাইকেল ভনকে সামনের ওয়েস্ট সফরে অধিনায়ক হিসেবে মনোনয়ন ইত্যাদি বিষয়ে মুরস ও পিটারসনের মধ্যে দ্বন্দ্ব লেগেই থাকতো।[৮] ফলশ্রুতিতে ৭ জানুয়ারি, ২০০৯ তারিখে মুরসকে কোচের দায়িত্ব থেকে ইসিবি অব্যাহতি দেয় ও পিটারসন অধিনায়ক থেকে পদত্যাগ করেন।[৮]
ক্রীড়া অবস্থান | ||
---|---|---|
পূর্বসূরী অ্যালান ওয়েলস |
সাসেক্স কাউন্টি অধিনায়ক ১৯৯৭ |
উত্তরসূরী ক্রিস অ্যাডামস |
পূর্বসূরী ডেসমন্ড হেইন্স |
সাসেক্স কাউন্টি কোচ ১৯৯৮–২০০৫ |
উত্তরসূরী মার্ক রবিনসন |
পূর্বসূরী রড মার্শ |
ইসিবি ক্রিকেট একাডেমি কোচ ২০০৫–২০০৭ |
উত্তরসূরী ডেভিড পারসনস |
পূর্বসূরী ডানকান ফ্লেচার |
ইংল্যান্ড জাতীয় কোচ ২০০৭–২০০৯ |
উত্তরসূরী অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার |
পূর্বসূরী মাইক ওয়াটকিনসন |
ল্যাঙ্কাশায়ার কাউন্টি কোচ ২০০৯–২০১৪ |
উত্তরসূরী অ্যাশলে জাইলস |
পূর্বসূরী অ্যান্ডি ফ্লাওয়ার |
ইংল্যান্ড জাতীয় কোচ ২০১৪-২০১৫ |
উত্তরসূরী পল ফারব্রেস (অন্তর্বর্তীকালীন) |