পুনঃবীমা হল একটি বীমা কোম্পানির কাছ থেকে অন্য একটি বীমা কোম্পানির আংশিক বা পূর্ন বীমাদাবির দায় সহ বীমা কিনে নেওয়া।[১] একটি বীমা কোম্পানি তার সকল গ্রাহকের বীমাদাবি পরিশোধের সক্ষম নাও হতে পারে কিংবা বীমাদাবির সময় নগদ বা তরল অর্থ হাতে নাও থাকতে পারে। তাই ঝুঁকি ব্যবস্থাপনার অংশ হিসেবে একটি বীমা কোম্পানি এর বীমা সমূহ অন্য বীমা কোম্পানির কাছে বিক্রয় করে দিতে পারে কিংবা বীমা দাবির দায় ও ঝুঁকি বিনিময় করতে পারে। পুনঃবীমা প্রদানকারী কোম্পানি গ্রাহকের বীমাদাবির পূর্ন বা আংশিক অংশ প্রদান করার চুক্তিবদ্ধ হতে পারে। পূনঃবীমা করতে হলে বীমা ক্রয়কারী কোম্পানিকে পুনঃবীমা প্রিমিয়াম প্রদান করতে হয়।
পুনঃবীমা সাধারণত দুই প্রকার[২]
প্রায় প্রত্যেকটি বীমা কোম্পানিরই পুনঃবীমার প্রোগ্রাম থাকে। পুনবীমার উদ্দেশ্য হল বীমা কোম্পানির ঝুঁকি কমিয়ে অন্য একটি বীমা কোম্পানিতে ঝুঁকি স্থানান্তরিত করা। এই পুনঃবীমা প্রক্রিয়াটি একক কিংবা দলগত উভয়ভাবে করা হয়ে থাকে। একটি বিমাকারী প্রতিষ্ঠান কর্তৃক সুরক্ষিত প্রোগ্রামের মধ্যে কত অংশ পুনঃবীমা করা যেতে পাড়ে তা সাধারণত ঐ দেশের সরকার কর্তৃক নির্ধরিত হয়। পুনবীমার কিছু প্রক্রিয়াগত সুবিধা রয়েছে যেমন:
একটি বিমাকারী প্রতিষ্ঠান তার পলিসিগুলোর পূনঃবীমা করালে তার অনুমোদিত সীমার চেয়ে বেশি পলিসি গ্রহণ করতে সক্ষম হয়। এর প্রধান কার্যকারণ হল পূনঃবীমার ফলে সম্ভাব্য ঝুঁকির কিছু অংশ পুনঃবীমা প্রতিষ্ঠানের কাছে স্থানান্তরিত হয়ে যায় এবং এতে করে সম্ভাব্য ক্ষয়-ক্ষতির ক্ষতিপূরণের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ অংশ পুনঃবীমা প্রতিষ্ঠানের কাছ থেকে পাওয়া যায়।
|সংগ্রহের-তারিখ=
(সাহায্য)