![]() | |
অন্যান্য নাম | পিলাউ, পাল্লাউ, পিলাও, পেলাও, পুলাও, পুলাভ, পালাভ, পালাভু, প্লভ, পালোভ, পলোভ, পোলো, পোলু, কুরিশ, ফুলাও, ফুলাব, ফুলাভ |
---|---|
প্রকার | প্রধান |
অঞ্চল বা রাষ্ট্র | মধ্য এশিয়া, মধ্য প্রাচ্য, দক্ষিণ এশিয়া, পূর্ব আফ্রিকা |
পরিবেশন | গরম |
প্রধান উপকরণ | চাল, মশলা, মাংস বা মাছ, সবজি, শুকনো ফল |
পোলাও বা পলান্ন (বাংলা উচ্চারণ: [পোলাও] () হচ্ছে )চাল দিয়ে তৈরী একটি মশলাযুক্ত খাবার।[১] পলান্ন বা পোলাও মুসলিম শাসনের সময় বাংলায় আগমন হয়েছে বলে অনেকে ঐতিহাসিক অনুমান করেন। তবে গিরিশচন্দ্র বেদান্ততীর্থ তার ১৩৩৯ বঙ্গাব্দে প্রকাশিত প্রাচীন শিল্প পরিচয় গ্রন্থে প্রাক মুসলিম যুগে ঘিতে রান্না করা স-মাংস অন্ন বা ভাত বলে উল্লেখ করেছেন। যা প্রাচীন কালে পললৌদন নামে পরিচিত ছিল বলে লিখেছেন। এর ওপর নাম সর্পিস্বৎ ছিল।[২]
পোলাও এবং এই ধরনের খাবার মধ্য প্রাচ্য, মধ্য ও দক্ষিণ এশিয়ায় বেশ পরিচিত খাবার। বলকান, মধ্যপ্রাচ্য, ককেশাস, মধ্য এশিয়া এবং দক্ষিণ এশিয়া, পূর্ব এশিয়া, লাতিন আমেরিকা এবং ক্যারিবীয় রন্ধনশৈলীতে গুরুত্বপূর্ণ আসন দখল করে আছে। বাংলাদেশ, আফগানিস্তান, আর্মেনিয়া, আজারবাইজান, বালুচি, বুখারার ইহুদি[৩], ক্রেটান, ভারত, ইরান, কাজাক, কেনিয়া, পাকিস্তান, তানজানিয়া, জাঞ্জিবার, উইঘুর, উজবেক[৪][৫], তাজিক [৬] এবং তুর্কী প্রভূতি রন্ধনশৈলীতে প্রধান খাবারের তালিকায় পোলাও স্থান দখল করে আছে।
চালের রঙ বাদামী বা সোনালী করতে হালকা করে তেলে ভেজে নেওয়া হয়। অতঃপর ভাজা পেঁয়াজ, মশলা, সবজি ইত্যাদি যোগ করা হয়। অঞ্চলভেদে পোলাওয়ের সঙ্গে মাংস, মাছ, সবজি, পাস্তা এবং শুকনো ফল যোগ করা হয়।
সুগন্ধী চাল যেমন তুলশীমালা, বাসমতী, কালোজিরা, চিনিগুড়া ইত্যাদি যেকোন জাতের চালকে ভালো করে পরিষ্কার করে ঘি বা তেলে ভাজা হয়। এর পর বিভিন্ন মশলা দিয়ে পরিমাণ মত পানি দিয়ে সিদ্ধ করা হয়।
পেয়াজ ভাজা বা বেরেস্তা পোলাও এর উপর সুন্দর করে ছিটিয়ে পরিবেশন করা হয়।