![]() | |||
ডাকনাম | লাভোভেতে (সিংহ) | ||
---|---|---|---|
অ্যাসোসিয়েশন | বুলগেরীয় ফুটবল ইউনিয়ন | ||
কনফেডারেশন | উয়েফা (ইউরোপ) | ||
প্রধান কোচ | খালি | ||
অধিনায়ক | পেতার জানেভ | ||
সর্বাধিক ম্যাচ | স্তিলিয়ান পেত্রভ (১০৫) | ||
শীর্ষ গোলদাতা | দিমিতার বেরবাতভ রিস্তো বোনেভ (৪৮) | ||
মাঠ | ভাসসিল লেভস্কি জাতীয় স্টেডিয়াম | ||
ফিফা কোড | BUL | ||
| |||
ফিফা র্যাঙ্কিং | |||
বর্তমান | ৮১ ![]() | ||
সর্বোচ্চ | ৮ (জুন ১৯৯৫) | ||
সর্বনিম্ন | ৯৬ (মে ২০১২) | ||
এলো র্যাঙ্কিং | |||
বর্তমান | ৯১ ![]() | ||
সর্বোচ্চ | ৩ (আগস্ট ১৯৭৫) | ||
সর্বনিম্ন | ৮২ (নভেম্বর ২০২০) | ||
প্রথম আন্তর্জাতিক খেলা | |||
![]() ![]() (ভিয়েনা, অস্ট্রিয়া; ২১ মে ১৯২৪) | |||
বৃহত্তম জয় | |||
![]() ![]() (লেওন, মেক্সিকো; ১৪ অক্টোবর ১৯৬৮) | |||
বৃহত্তম পরাজয় | |||
![]() ![]() (মাদ্রিদ, স্পেন; ২১ মে ১৯৩৩) | |||
বিশ্বকাপ | |||
অংশগ্রহণ | ৭ (১৯৬২-এ প্রথম) | ||
সেরা সাফল্য | চতুর্থ স্থান (১৯৯৪) | ||
উয়েফা ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপ | |||
অংশগ্রহণ | ২ (১৯৯৬-এ প্রথম) | ||
সেরা সাফল্য | গ্রুপ পর্ব (১৯৯৬, ২০০৪) | ||
গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিক | |||
অংশগ্রহণ | ৫ (১৯২৪-এ প্রথম) | ||
সেরা সাফল্য | রানার-আপ (১৯৬৮) | ||
বলকান কাপ | |||
অংশগ্রহণ | ১২ (১৯৩০-এ প্রথম) | ||
সেরা সাফল্য | চ্যাম্পিয়ন (১৯৩১, ১৯৩২, ১৯৭৬) |
বুলগেরিয়া জাতীয় ফুটবল দল (বুলগেরীয়: Български национален отбор по футбол) হচ্ছে আন্তর্জাতিক ফুটবলে বুলগেরিয়ার প্রতিনিধিত্বকারী পুরুষদের জাতীয় দল, যার সকল কার্যক্রম বুলগেরিয়ার ফুটবলের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক সংস্থা বুলগেরীয় ফুটবল ইউনিয়ন দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হয়। এই দলটি ১৯২৪ সাল হতে ফুটবলের সর্বোচ্চ সংস্থা ফিফার এবং ১৯৫৪ সাল হতে তাদের আঞ্চলিক সংস্থা উয়েফার সদস্য হিসেবে রয়েছে। ১৯২৪ সালের ২১শে মে তারিখে, বুলগেরিয়া প্রথমবারের মতো আন্তর্জাতিক খেলায় অংশগ্রহণ করেছে; অস্ট্রিয়ার ভিয়েনায় অনুষ্ঠিত উক্ত ম্যাচে বুলগেরিয়া অস্ট্রিয়ার কাছে ৬ –০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে।
৪৪,০০০ ধারণক্ষমতাবিশিষ্ট ভাসসিল লেভস্কি জাতীয় স্টেডিয়ামে লাভোভেতে নামে পরিচিত এই দলটি তাদের সকল হোম ম্যাচ আয়োজন করে থাকে। এই দলের প্রধান কার্যালয় বুলগেরিয়ার রাজধানী সফিয়ায় অবস্থিত। বর্তমানে এই দলের অধিনায়কের দায়িত্ব পালন করছেন সিএসকেএ সফিয়ার রক্ষণভাগের খেলোয়াড় পেতার জানেভ।
বুলগেরিয়া এপর্যন্ত ৭ বার ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করেছে, যার মধ্যে সেরা সাফল্য হচ্ছে ১৯৯৪ ফিফা বিশ্বকাপের চতুর্থ স্থান অর্জন করা, যেখানে তারা সুইডেনের কাছে ৪–০ গোলের ব্যবধানে পরাজিত হয়েছে। অন্যদিকে, উয়েফা ইউরোপীয় চ্যাম্পিয়নশিপে বুলগেরিয়া এপর্যন্ত ২ বার অংশগ্রহণ করেছে, যার মধ্যে সেরা সাফল্য হচ্ছে উয়েফা ইউরো ১৯৯৬ এবং উয়েফা ইউরো ২০০৪-এর গ্রুপ পর্বে অংশগ্রহণ করা। গ্রীষ্মকালীন অলিম্পিকে বুলগেরিয়ার সেরা সাফল্য হচ্ছে রৌপ্য পদক জয়লাভ করা। এছাড়াও, বলকান কাপে বুলগেরিয়া অন্যতম সফল দল, যেখানে তারা ৩টি (১৯৩১, ১৯৩২ এবং ১৯৭৬) শিরোপা জয়লাভ করেছে।
স্তিলিয়ান পেত্রভ, রিস্তো বোনেভ, বরিস্লাভ মিহায়লভ, দিমিতার বেরবাতভ এবং এমিল কস্তাদিনভের মতো খেলোয়াড়গণ বুলগেরিয়ার জার্সি গায়ে মাঠ কাঁপিয়েছেন।
১৯২২ সালে বুলগেরিয়া জাতীয় দল গঠিত হয়। ১৯২৩ সালে, বুলগেরীয় ফুটবল ইউনিয়ন প্রতিষ্ঠিত হয় এবং ১৯২৪ সালে ২১শে মে তারিখে ভিয়েনায় তাদের প্রথম ম্যাচ অনুষ্ঠিত হয়,[৩] উক্ত ম্যাচে অস্ট্রিয়া ৬–০ তে পরাজিত হয়।[৪] ফলাফলটি বিস্ময়কর ছিল না কারণ সেই সময়ে অস্ট্রিয়া মধ্য ইউরোপীয় অঞ্চলের দলগুলোর মধ্যে এগিয়ে ছিল, যা সেই সময়ে ফুটবলকে প্রভাবিত করেছিল। বুলগেরিয়াকে ঐ পর্যায়ের কাছাকাছি নিয়ে আসার জন্য, বুলগেরিয়া ফুটবল অ্যাসোসিযেশন ১৯২০ সালের দিকে অস্ট্রিয়ান কোচ নিতশ্চ এবং স্টেজসকাল এবং ১৯৩০ সালের দিকে হাঙ্গেরীয় কোচ নেমেস, ফোগল এবং জার্মান কোচ ফেইস্টকে নিয়োগ দেয়। উরুগুয়েতে অনুষ্ঠিত ১৯৩০ ফিফা বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ করার জন্য বুলগেরিয়াকে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছিল, কিন্তু খেলোয়াড়রা তাদের চাকরি থেকে দীর্ঘ ছুটি না পাওয়ার কারণে অবশেষে সে আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান করে।[৫]
ফিফা বিশ্ব র্যাঙ্কিংয়ে, ১৯৯৫ সালের জুন মাসে প্রকাশিত র্যাঙ্কিংয়ে বুলগেরিয়া তাদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ অবস্থান (৮ম) অর্জন করে এবং ২০১২ সালের মে মাসে প্রকাশিত র্যাঙ্কিংয়ে তারা ৯৬তম স্থান অধিকার করে, যা তাদের ইতিহাসে সর্বনিম্ন। অন্যদিকে, বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে বুলগেরিয়ার সর্বোচ্চ অবস্থান হচ্ছে ৩য় (যা তারা ১৯৭৫ সালে অর্জন করেছিল) এবং সর্বনিম্ন অবস্থান হচ্ছে ৮২। নিম্নে বর্তমানে ফিফা বিশ্ব র্যাঙ্কিং এবং বিশ্ব ফুটবল এলো রেটিংয়ে অবস্থান উল্লেখ করা হলো:
অবস্থান | পরিবর্তন | দল | পয়েন্ট |
---|---|---|---|
৭৯ | ![]() |
![]() |
১২৯৯.৪৯ |
৮০ | ![]() |
![]() |
১২৯০.০১ |
৮১ | ![]() |
![]() |
১২৮৯.৯ |
৮২ | ![]() |
![]() |
১২৮৯.৫২ |
৮৩ | ![]() |
![]() |
১২৮৫.৪১ |
অবস্থান | পরিবর্তন | দল | পয়েন্ট |
---|---|---|---|
৮৯ | ![]() |
![]() |
১৪৭০ |
৯০ | ![]() |
![]() |
১৪৬৯ |
৯১ | ![]() |
![]() |
১৪৫৭ |
৯১ | ![]() |
![]() |
১৪৫৭ |
৯৩ | ![]() |
![]() |
১৪৪৯ |
ফিফা বিশ্বকাপ | বাছাইপর্ব | ||||||||||||||
---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
সাল | পর্ব | অবস্থান | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | ম্যাচ | জয় | ড্র | হার | স্বগো | বিগো | |
![]() |
অংশগ্রহণ করেনি | আমন্ত্রণ প্রত্যাখ্যান | |||||||||||||
![]() |
উত্তীর্ণ হয়নি | ৩ | ০ | ০ | ৩ | ৩ | ১৪ | ||||||||
![]() |
২ | ০ | ১ | ১ | ১ | ৭ | |||||||||
![]() |
অংশগ্রহণ করেনি | প্রত্যাখ্যান | |||||||||||||
![]() |
উত্তীর্ণ হয়নি | ৪ | ০ | ১ | ৩ | ৩ | ৭ | ||||||||
![]() |
৪ | ২ | ০ | ২ | ১১ | ৭ | |||||||||
![]() |
গ্রুপ পর্ব | ১৫তম | ৩ | ০ | ১ | ২ | ১ | ৭ | ৫ | ৪ | ০ | ১ | ৭ | ৪ | |
![]() |
গ্রুপ পর্ব | ১৫তম | ৩ | ০ | ০ | ৩ | ১ | ৮ | ৫ | ৪ | ০ | ১ | ১১ | ৭ | |
![]() |
গ্রুপ পর্ব | ১৩তম | ৩ | ০ | ১ | ২ | ৫ | ৯ | ৬ | ৪ | ১ | ১ | ১২ | ৭ | |
![]() |
গ্রুপ পর্ব | ১২তম | ৩ | ০ | ২ | ১ | ২ | ৫ | ৬ | ৪ | ২ | ০ | ১৩ | ৩ | |
![]() |
উত্তীর্ণ হয়নি | ৪ | ১ | ২ | ১ | ৫ | ৬ | ||||||||
![]() |
৮ | ৪ | ১ | ৩ | ১১ | ১০ | |||||||||
![]() |
১৬ দলের পর্ব | ১৫তম | ৪ | ০ | ২ | ২ | ২ | ৬ | ৮ | ৫ | ১ | ২ | ১৩ | ৫ | |
![]() |
উত্তীর্ণ হয়নি | ৬ | ১ | ১ | ৪ | ৬ | ৮ | ||||||||
![]() |
৩য় স্থান নির্ধারণী | ৪র্থ | ৭ | ৩ | ১ | ৩ | ১০ | ১১ | ১০ | ৬ | ২ | ২ | ১৯ | ১০ | |
![]() |
গ্রুপ পর্ব | ২৯তম | ৩ | ০ | ১ | ২ | ১ | ৭ | ৮ | ৬ | ০ | ২ | ১৮ | ৯ | |
![]() ![]() |
উত্তীর্ণ হয়নি | ১০ | ৫ | ২ | ৩ | ১৪ | ১৫ | ||||||||
![]() |
১০ | ৪ | ৩ | ৩ | ১৭ | ১৭ | |||||||||
![]() |
১০ | ৩ | ৫ | ২ | ১৭ | ১৩ | |||||||||
![]() |
১০ | ৩ | ৪ | ৩ | ১৪ | ৯ | |||||||||
![]() |
১০ | ৪ | ১ | ৫ | ১৪ | ১৯ | |||||||||
![]() |
অনির্ধারিত | অনির্ধারিত | |||||||||||||
মোট | ৩য় স্থান নির্ধারণী | ৭/২১ | ২৬ | ৩ | ৮ | ১৫ | ২২ | ৫৩ | ১২৯ | ৬০ | ২৭ | ৪২ | ২০৯ | ১৭৭ |