আকাশ থেকে মঈন-উল-হক স্টেডিয়ামের দৃশ্য | |
স্টেডিয়ামের তথ্যাবলি | |
---|---|
অবস্থান | রাজেন্দ্র নগর, পাটনা, বিহার, ভারত |
দেশ | ভারত |
স্থানাঙ্ক | ২৫°৩৬′২৮″ উত্তর ৮৫°১০′৪″ পূর্ব / ২৫.৬০৭৭৮° উত্তর ৮৫.১৬৭৭৮° পূর্ব |
প্রতিষ্ঠা | ১৯৬৯ |
ধারণক্ষমতা | ২৫,০০০ |
স্বত্ত্বাধিকারী | বিহার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন |
পরিচালক | বিহার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন |
ভাড়াটে | ভারত জাতীয় ক্রিকেট দল বিহার ক্রিকেট দল |
প্রান্তসমূহ | |
গঙ্গা প্রান্তর প্যাভিলিয়ন প্রান্তর | |
আন্তর্জাতিক খেলার তথ্য | |
প্রথম পুরুষ ওডিআই | ১৫ নভেম্বর, ১৯৯৩: শ্রীলঙ্কা ![]() ![]() |
সর্বশেষ পুরুষ ওডিআই | ২৭ ফেব্রুয়ারি, ১৯৯৬: জিম্বাবুয়ে ![]() ![]() |
একমাত্র নারী টেস্ট | ১৭–১৯ নভেম্বর ১৯৭৬: ভারত ![]() ![]() |
প্রথম নারী ওডিআই | ৫ জানুয়ারি ১৯৭৮: ভারত ![]() ![]() |
সর্বশেষ নারী ওডিআই | ২২ ডিসেম্বর ১৯৯৭: ভারত ![]() ![]() |
৭ জানুয়ারি ২০২৪ অনুযায়ী উৎস: মঈন-উল-হক স্টেডিয়াম, ইএসপিএনক্রিকইনফো |
মঈন-উল-হক স্টেডিয়াম হল ভারতের একটি বহুমুখী স্টেডিয়াম। এটি ভারতের, বিহার রাজ্যের, পাটনা শহরের, রাজেন্দ্র নগরে অবস্থিত। বহুমুখী স্টেডিয়ামটিতে ১৯৯৬ সালের ক্রিকেট বিশ্বকাপের একটি ম্যাচ সহ তিনটি একদিনের আন্তর্জাতিক (ওডিআই) ম্যাচ আয়োজন করেছিল। স্টেডিয়ামটির ধারণক্ষমতা ২৫,০০০ জন। এটি ক্রিকেট এবং অ্যাসোসিয়েশন ফুটবলের জন্য ব্যবহৃত হয়ে থাকে। এটি বিহার রঞ্জি দলের হোম গ্রাউন্ড হিসেবেও কাজ করে থাকে। সরকার স্টেডিয়ামটির সংস্কার ও উন্নয়নের প্রস্তাব করেছে এর বসার ক্ষমতা ৪২,০০০-এ প্রসারিত করে। এটি বিহার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন দ্বারা রক্ষণাবেক্ষণ করা হয়ে থাকে। বিহার রঞ্জি দল বর্তমানে এই মাঠে অনেক রঞ্জি ম্যাচ খেলেছিলেন। এটি সৈয়দ মুহাম্মদ মঈন-উল-হকের নামে নামকরণ করা হয়েছিল, যা তিনি একজন ভারতীয় ক্রীড়া প্রশাসক এবং পাটনা কলেজের প্রাক্তন অধ্যক্ষ ছিলেন।[১]
স্টেডিয়ামটি আগে রাজেন্দ্র নগর স্টেডিয়াম নামে পরিচিত ছিল। ১৯৭০ সালে আইকন মঈন-উল-হকের মৃত্যুর পর এর নামকরণ করা হয়, যিনি ভারতীয় অলিম্পিক অ্যাসোসিয়েশনের (আইওএ) সাধারণ সম্পাদক ছিলেন, ১৯৪৮ সালে লন্ডনে এবং ১৯৫২ সালে হেলসিংকিতে ভারতীয় অলিম্পিক কন্টিনজেন্টের শেফ-ডি-মিশন ছিলেন এবং বিহারের জামশেদপুরে ১৯৩৬ সালে বিহার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশনের কেএডি নওরোজি সহ প্রতিষ্ঠাতা সহ-সভাপতি দের মধ্যে তিনি একজন ছিলেন।[১]
এটি ছিল ভারতের একটি অত্যাধুনিক স্টেডিয়াম যেখানে খেলোয়াড় ও দর্শকদের জন্য আধুনিক বসার জায়গা, সরঞ্জাম এবং সুবিধা ছিল।[২] কিন্তু বিহার ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন এবং বোর্ড অফ কন্ট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার মধ্যে সমস্যার কারণে আন্তর্জাতিক ম্যাচ আয়োজনের ক্ষেত্রে স্টেডিয়ামটি ভারতীয় ক্রিকেট কন্ট্রোল বোর্ড কর্তৃক অবহেলিত হওয়ায় এটি সম্পূর্ণ সেকেলে হয়ে গেছে (ভারতীয় প্রিমিয়ার লিগের উত্থান এবং অন্যান্য স্টেডিয়ামগুলি আপ-টু-ডেট হওয়ার পরে আরও)।[৩] বিহার থেকে ঝাড়খণ্ড আলাদা হয়ে যাওয়ার পর, বিহার তার রঞ্জি ট্রফি দলের মর্যাদা হারায়। তাই এখানে কোনো রঞ্জি ট্রফি ম্যাচও অনুষ্ঠিত হয় না। স্টেডিয়ামটিতে একটি সুইমিং পুল এবং একটি ক্রিকেট একাডেমি রয়েছে। এটিতে একটি "টার্ফ" পিচ রয়েছে যা আন্তর্জাতিক মান অনুসরণ করে। এটি রাজেন্দ্র নগর টার্মিনালের খুব কাছে।
প্রতীক | অর্থ |
---|---|
![]() |
বোলার ম্যাচ সেরা হয়েছিলেন |
![]() |
ম্যাচে ১০ বা তার বেশি উইকেট নিয়েছেন |
§ | বোলার ম্যাচে দুটি পাঁচ উইকেটের মধ্যে একটি নিয়েছিলেন |
তারিখ | যেদিন টেস্ট বা ওয়ানডে শুরু হয়েছিল |
ইনিংস | যে ইনিংসে নিয়েছেন পাঁচ উইকেট |
ওভার | বোলিং করা ওভারের সংখ্যা। |
রান | রান হারানো সংখ্যা |
উইকেট | উইকেট নেওয়ার সংখ্যা |
ইকোমনি | ওভার প্রতি রান দেন |
ব্যাটসম্যান | ব্যাটসম্যান যার উইকেট নিয়েছেন |
ড্র | ম্যাচটি ড্র হয়েছিল। |
ক্রম. | বোলার | তারিখ | দল | প্রতিপক্ষ দল | ইনিংস | ওভার | রান | উইকেট | ইকোমনি | ব্যাটসম্যান | ফলাফল |
---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
১ | পল স্ট্র্যাং | ২৭ ফেব্রুয়ারি ১৯৯৬ | ![]() |
![]() |
১ | ৯.৪ | ২১ | ৫ | ২.১৭ | জয়[৪] |
২০১৩ সালে, বিহারের মুখ্যমন্ত্রী নীতিশ কুমার ঘোষণা করেছিলেন যে রাজগির, নালন্দা জেলায় একটি আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়াম নির্মাণ করা হবে এবং মঈন-উল-হক স্টেডিয়াম ও পাটলিপুত্র স্পোর্টস কমপ্লেক্সের ইনডোর স্টেডিয়াম সংস্কার করা হবে।[৫][৬]
স্টেডিয়ামের কাছে পাটনা মেট্রোর আন্ডারগ্রাউন্ড মেট্রো স্টেশন তৈরি করা হচ্ছে।[৭]