মিতা পণ্ডিত | |
---|---|
![]() | |
প্রাথমিক তথ্য | |
জন্ম | নয়াদিল্লী, ভারত |
উদ্ভব | ভারত |
ধরন | ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীত, হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত |
পেশা | সংগীতশিল্পী |
বাদ্যযন্ত্র | গাওয়া |
কার্যকাল | ১৯৮৩-বর্তমান |
লেবেল | ইএমআই, সারেগামা, আন্ডারস্কোর |
ওয়েবসাইট | মিতা পণ্ডিত.কম |
মিতা পণ্ডিত একজন হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত শিল্পী যিনি গোয়ালিয়র ঘরানার গান পরিবেশন করে থাকেন। তিনি কৃষ্ণরাও শংকর পণ্ডিত এর নাতনি ও শিষ্যা ছিলেন।
মিতা পণ্ডিত জন্মেছিলেন নয়াদিল্লীতে।[১] তাঁর পিতা লক্ষ্মণ কৃষ্ণরাও পণ্ডিত ছিলেন শাস্ত্রীয় সংগীতে সুদক্ষ। তাঁর বাবা সংগীত নাটক আকাদেমি পুরস্কারে ভূষিত হয়েছিলেন।[২][৩][৪][৫] তাঁর মা আভা পণ্ডিত ছিলেন গৃহিণী।
তিনি তাঁর প্রারম্ভিক জীবন নয়াদিল্লীতে অতিবাহিত করেন। সেখানকার সেন্ট মেরিজ কলেজে তিনি উচ্চমাধ্যমিক পর্যন্ত পড়েছিলেন। তিনি দিল্লি বিশ্ববিদ্যালয়ের অধীনে লেডি শ্রীরাম কলেজ থেকে স্নাতক ডিগ্রি লাভ করেন।[৬][৭]
তিনি, তার ঠাকুর্দা পদ্মভূষণ পুরস্কারজয়ী কৃষ্ণরাও শংকর পণ্ডিত ও বাবা লক্ষ্মণ কৃষ্ণরাও পণ্ডিতের নিকট, ৩ বছর বয়স থেকে গানের তালিম নেওয়া আরম্ভ করেছিলেন।
প্রাথমিকভাবে, অনিয়মিত কাজের সময় এবং একা ভ্রমণ করতে হয় বলে, মিতা পণ্ডিতের বাবা মা চেয়েছিলেন তিনি যেন স্থায়ী কোন পেশাতে নিযুক্ত হন।[৮] তার বড় ভাই তুষার পণ্ডিতকে পরিবারের ঘরানা এগিয়ে নিয়ে যাবার জন্য তালিম দেওয়া হচ্ছিল। কিন্তু তুষার পণ্ডিত, হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত এ পিএইচডি ডিগ্রি নেবার সময়ে, ২৭ বছর বয়সে, এক সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হন।[৯][১০][১১] সেই সময় মিতা তার স্নাতক ডিগ্রি অর্জন এবং এমবিএর প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন। এই ঘটনার পর তিনি পরিবারের ঘরানা এগিয়ে নিয়ে যাবার সিদ্ধান্ত গ্রহণ ক'রে, সংগীতকেই পেশা হিসেবে বেছে নেন। তিনি এমবিএ করার পরিবর্তে সংগীতে স্নাতকোত্তর করেন এবং হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীতের উপরে ডক্টরেট ডিগ্রি লাভ করেন।
মাত্র নয় বছর বয়সেই তিনি 'প্রসঙ্গ' সংগীত উৎসবে সংগীত পরিবেশনা করেছিলেন।[৮] ১৫ বছর বয়সে তিনি বারাণসীর সংকট মোচন উৎসবে সংগীত পরিবেশন করেন।[১]
১৯৯৫ থেকে ২০০৫ সালের মাঝে তিনি ভারত ও ভারতের বাইরের দেশ যেমন : ফ্রান্স, যুক্তরাজ্য, সুইজারল্যান্ড, নরওয়ে, ইতালি, যুক্তরাষ্ট্র, রাশিয়া ও বাংলাদেশে সংগীত পরিবেশন করেছেন।[১]
২০০৩ সালে নয়াদিল্লীতে অবস্থিত ফরাসি দূতাবাসের এক বিশেষ প্রোগ্রামে তিনি তিন মাসের জন্য প্যারিসে থেকে "আর্টিস্ট ইন রেসিডেন্স" হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন।[১২]
তিনি ২০০৪ সালে ভারতের সাংস্কৃতিক দূত হিসেবে পাকিস্তানের ইসলামাবাদে অনুষ্ঠিত সার্ক সম্মেলনে অংশ নিয়েছিলেন।[১১][১৩]
২০০৮ সালে ওয়ার্ল্ড স্পেস স্যাটেলাইট রেডিওতে 'স্বর শৃঙ্গার' নামের একটি অনুষ্ঠান উপস্থাপনা করেছিলেন তিনি।[১২] তিনি আমস্টারডামের তবলাবাদক হেইকো ডিজকারের সাথে দ্য লুমিন্যান্স প্রজেক্ট (২০১২) নামের একটি অ্যালবামে কাজ করেছিলেন।[১৪] ২০০৯ সাল থেকে তিনি ইন্দিরা গান্ধী ন্যাশনাল সেন্টার ফর আর্টস এর সাথে সংযুক্ত আছেন।[৪][১৫][১৬][১৭]
তিনি ভজন, ঠুমরী, টপ্পা, গজল ও খেয়ালে সুদক্ষ। তিনি ভারতীয় শাস্ত্রীয় সংগীতকে বিশ্বে ছড়িয়ে দিতে কাজ করে চলেছেন।[১৩]
মিতা পণ্ডিত হিন্দুস্তানি শাস্ত্রীয় সংগীত জগতে অসামান্য অবদানের স্বীকৃতি হিসেবে পেয়েছেন নানা পুরস্কার। এগুলো হল:
তার প্রকাশিত অ্যালবামগুলো হল: