সংখ্যাজ্ঞান বলতে দৈনন্দিন জীবনের প্রয়োজনে গণিত ও সংখ্যার ব্যবহার যুক্তি দিয়ে বোঝা ও সংখ্যা নিয়ে যুক্তিসম্মত গাণিতিক কাজকর্ম করার (যেমন যোগ-বিয়োগ-গুণ-ভাগ থেকে শুরু করে ভগ্নাংশ, শতকরা হার, সম্ভাবনা ও ঝুঁকি ইত্যাদি নির্ণয়) ক্ষমতা বা সামর্থ্যকে বোঝায়। সংখ্যাজ্ঞান মানুষের স্বাস্থ্য-সংশ্লিষ্ট আচরণ, অর্থ (টাকা-পয়সা-সম্পদ) নিয়ে কাজকর্ম, কর্মজীবনে সিদ্ধান্তগ্রহণ, অর্থনৈতিক পছন্দ-অপছন্দ, সন্তোষজনক জীবনযাপন, ইত্যাদির উপর গভীর প্রভাব ফেলে। এর বিপরীতে সংখ্যাজ্ঞানের অভাব ঐসব ক্ষেত্রে নেতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।[১][২][৩] সংখ্যাজ্ঞানের অভাব স্বাস্থ্যবিষয়ক সিদ্ধান্ত গ্রহণে ঝুঁকির উপলব্ধি বিকৃত করে দিতে পারে।[৪]
আর কোনো ধারণা বিশ্লেষণের ক্ষেত্রে সব থেকে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা ন্যায় যুক্তি। গাণিতিক জ্ঞানও তার ব্যত্যয় নয়। তবে যুক্তিবাদী মানুষ বিশ্লেষণের ক্ষমতা পায় পর্যবেক্ষণ থেকে। তাই একথা প্রণিধানযোগ্য যে গাণিতিক জ্ঞান সম্পন্ন কোন ব্যক্তি যুক্তিবাদী হন এবং তার পর্যবেক্ষণ ক্ষমতাই তাকে জীবনের গাণিতিক প্রয়োজনগুলো মেটাতে সাহায্য করে।[৫] সংখ্যার ধারণা, যোগ-বিয়োগ প্রভৃতি কার্যক্রমের ধারণা, গণনা, মাপজোক করা, জ্যামিতি , সম্ভাবনা, পরিসংখ্যান ইত্যাদি গাণিতিক জ্ঞানের উদাহরণ। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে সংখ্যাজ্ঞানকে অনেক সময় "পরিমাণজ্ঞান" (কোয়ান্টিটেটিভ লিটারেসি) নামেও ডাকা হয়ে থাকে।
মানুষ তার পর্যবেক্ষণ (গণিত নয়) থেকে মনে মনে দুটি প্রধান পদ্ধতিতে সংখ্যাকে প্রকাশ করে[৬]। এই রূপায়নগুলো মানুষের সহজাত - ব্যক্তিগত শিক্ষা বা সাংস্কৃতিক পটভূমির এখানে কোন ভূমিকা নেই। এগুলো হলোঃ
উভয় পদ্ধতিরই প্রকাশের সীমাবদ্ধতা রয়েছে। যেমন কোন পদ্ধতিতেই ভগ্নাংশ বা ঋণাত্মক সংখ্যার অবকাশ নেই। বিদ্যালয়ে যে গণিত শেখানো হয় তার সাথে সহজাত গাণিতিক দক্ষতার সম্পর্ক রয়েছে[৭]।
<ref>
ট্যাগ বৈধ নয়; Reyna2009
নামের সূত্রটির জন্য কোন লেখা প্রদান করা হয়নি