সেগোলেন রোয়াইয়াল | |
---|---|
![]() | |
পোয়াতু-শারন্তের সভাপতি | |
দায়িত্বাধীন | |
অধিকৃত কার্যালয় ৩০শে মার্চ, ২০০৪ | |
পূর্বসূরী | এলিজাবেথ মোরাঁ |
ফরাসি জাতীয় সংসদের ডেপুটি | |
কাজের মেয়াদ ৯ই জুন, ২০০২ – ১৭ই জুন, ২০০৭ | |
কাজের মেয়াদ ১লা জুন, ১৯৯৭ – ৪ঠা জুন, ১৯৯৭ | |
কাজের মেয়াদ ২রা এপ্রিল, ১৯৯৩ – ২১শে এপ্রিল, ১৯৯৭ | |
কাজের মেয়াদ ১৩ই জুন, ১৯৮৮ – ১৩ই জুন, ১৯৯২ | |
নির্বাচনী এলাকা | দো-সেভ্র্ |
পরিবেশ ও জীবনধারা মন্ত্রী | |
কাজের মেয়াদ ২রা এপ্রিল, ১৯৯২ – ২৯শে মার্চ, ১৯৯৩ | |
প্রধানমন্ত্রী | পিয়ের বেরেগোভোয়া |
পূর্বসূরী | ব্রাইস লালোঁদ |
উত্তরসূরী | মিশেল বার্নিয়ে |
ব্যক্তিগত বিবরণ | |
জন্ম | ডাকার, সেনেগাল | ২২ সেপ্টেম্বর ১৯৫৩
রাজনৈতিক দল | পার্তি সোসিয়ালিস্ত |
ধর্ম | রোমান ক্যাথলিক (পালন করেন না) [১] |
ওয়েবসাইট | desirsdavenir.com |
মারি-সেগোলেন রোয়াইয়াল[টীকা ১] (ফরাসি: আ-ধ্ব-ব: [seɡɔlɛn ʁwajal]) (জন্ম ২২শে সেপ্টেম্বর, ১৯৫৩, ডাকার, সেনেগাল, ফরাসি পশ্চিম আফ্রিকা) একজন ফরাসি রাজনীতিবিদ। তিনি পোয়াতু-শারন্ত প্রাদেশিক কাউন্সিলের সভাপতি, ফরাসি জাতীয় সংসদের প্রাক্তন সদস্য, একজন প্রাক্তন ফরাসি মন্ত্রী এবং রাজনৈতিক দল পার্তি সোসিয়ালিস্ত (Parti Socialiste "সমাজতান্ত্রিক দল")-এর একজন প্রভাবশালী সদস্য। ২০০৬ সালের ১৬ই নভেম্বর পার্তি সোসিয়ালিস্তের সদস্যরা তাকে ২০০৭ সালের ফরাসি রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের জন্য প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দেয়। ফ্রান্সের কোন বড় দলের ইতিহাসে তিনিই প্রথম মহিলা প্রার্থী ছিলেন। ;
২০০৭ সালের ফ্রান্সের রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের ভোটাভুটির প্রথম পর্বে সেগোলেন রোয়াইয়াল দ্বিতীয় হন এবং দ্বিতীয় পর্বে নিকোলা সার্কোজির সাথে প্রতিদ্বন্দ্ব্বিতার জন্য বাছাই হন। দ্বিতীয় পর্বে তিনি ৪৬.৯৪% ভোট পেয়ে সামান্য ব্যবধানে সার্কোজির কাছে পরাজিত হন। [২]