সোণারি | |
---|---|
নগর | |
ভারতের আসামে অবস্থান | |
স্থানাঙ্ক: ২৭°০৪′ উত্তর ৯৫°০২′ পূর্ব / ২৭.০৭° উত্তর ৯৫.০৩° পূর্ব | |
দেশ | ![]() |
রাজ্য | আসাম |
জেলা | চরাইদেও |
সরকার | |
• শাসক | সোণারি পৌরসভা বোর্ড |
উচ্চতা | ৯৭ মিটার (৩১৮ ফুট) |
জনসংখ্যা (২০০১) | |
• মোট | ১৭,৪৩০ |
ভাষাসমূহ | |
• সরকারি | অসমীয়া |
সময় অঞ্চল | আইএসটি (ইউটিসি+০৫:৩০) |
আইএসও ৩১৬৬ কোড | ইন-এএস |
যানবাহন নিবন্ধন | এএস ০৪ |
আহোম রাজবংশ | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
![]() | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
|
||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
সোণারি বা সোনারি (আন্তর্জাতিক স্বরবিষয়ক বর্ণমালা, আইপিএ: ˈsəʊnɑːrɪ)হল ভারতের আসাম রাজ্যের সদ্যঘোষিত চরাইদেও জেলার একটি জেলা সদর, মাঝারি আকারের শহর এবং একটি পৌর বোর্ড। ১৫ই আগস্ট ২০১৫ তারিখে মুখ্যমন্ত্রী শ্রী তরুণ গগৈ চরাইদেও জেলাটির উদ্বোধন করেছেন।
সোণারির স্থানাঙ্ক ২৭°০৪′ উত্তর ৯৫°০২′ পূর্ব / ২৭.০৭° উত্তর ৯৫.০৩° পূর্ব।[১] এর গড় উচ্চতা হল ৯৭ মিটার (৩১৮ ফুট)। এটি অহোম রাজা দ্বারা নির্মিত প্রায় ৫০০ বছরের পুরানো "ধোড়ার আলী" র একটি প্রধান শহর। অহোম রাজা গদাধর সিংহ, অসমে বসবাসকারী তথাকথিত অলস বা সামাজিকভাবে অকর্মণ্য 'ধোড়া'দের ব্যবহার করে ধোড়ার আলিকে দখল করেছিলেন। তাওকাক নদীর পাশে অবস্থিত, সোণারি শহরটি আসামের চরাইদেও জেলার সদর দপ্তর। নিকটতম রেলস্টেশনটি ভোজো, যা সোণারি থেকে প্রায় ৩ কিলোমিটার দূরে ঐতিহাসিক দিশাং নদীর তীরে অবস্থিত। রাস্তা দিয়ে সোণারি পৌঁছানোর সর্বোত্তম উপায় হল শিবসাগর শহর থেকে ধোড়ার আলীর মধ্য দিয়ে যাওয়া। এর কাছেই চরাইদেওতে অহোম রাজার বিখ্যাত সমাধিটি অবস্থিত। সোণারি চা এবং কাঠ শিল্পের একটি কেন্দ্র এবং নাগাল্যান্ডের মন জেলার প্রবেশদ্বার।
বলা হয় যে, সোণারির আদি নাম ছিল সোনাপুর। ১২৫৩ খ্রিস্টাব্দে অহোম রাজার সময়কালে, অহোম রাজাদের জন্য কাজ করা স্বর্ণকাররা এখানে বসবাস করত এবং তার থেকেই শহরের এই নাম হয়েছিল (অসমীয়া ভাষায় স্বর্ণকারকে সোণারি বলা হয়)।[২][৩] এমনও দাবি রয়েছে যে, পঞ্চদশ শতাব্দীতে মহান বোরাহী রাজা মহামানিক্য (মহামনিফা) সোণারির রাজাধাপ এলাকায় বাস করতেন। সাধক শঙ্করদেবের যুগের আগেই, তাঁর দরবারে মাধব কাণ্ডালী রামায়ণকে অসমীয়া ভাষায় অনুবাদ করেছিলেন। কথিত আছে যে, ১৬৬৩ খ্রিস্টাব্দে আওরঙ্গজেবের সেনাপতি মীরজুমলা আসাম ও অহোমের রাজধানী আক্রমণ করতে এসেছিল যখন, তখন নামরূপে যাওয়ার আগে, ভোগোনিয়া রাজা জয়ধ্বজ সিংহ সোণারিতে কয়েক দিন বিশ্রাম নিয়েছিলেন। মণিরাম দেওয়ান প্রতিষ্ঠিত প্রথম দুটি চা এস্টেটগুলির মধ্যে একটি আবিষ্কৃত হয়েছে, আবিষ্কার করেছেন চা গবেষণা সংস্থার টোকলাই পরীক্ষামূলক স্টেশনের ডাঃ প্রদীপ বড়ুয়া। দেওয়ান প্রায় ১৬৯ বছর আগে, ১৮৪৫ সালে, জোড়হাটে সিনমারা টি এস্টেট এবং সোনারির সুফ্রির কাছে সেনগ্লাং টি এস্টেট স্থাপন করেছিলেন।[৪]
শহরের মাঝখানে অহোম রাজ্যের ঐতিহাসিক একটি কামান আছে, যার নাম বোর পাখুরি। এর চারপাশ ঘিরে একটি উদ্যান রয়েছে।[২] ডাকঘরের নিকটবর্তী এই উদ্যানটিকে এখন লাচিত নগর উদ্যান বলা হয়। শহরে প্রবেশের মুখে তাওকাক নদী সেতুর কাছে কোচ জেনারেল চিলারাইয়ের একটি মূর্তি তৈরি করা হয়েছে। ২০০৪ সালে গীতিকবি পার্বতী প্রসাদ বড়ুয়ার জন্মশতবর্ষের সময় সোণারিতে এই গীতিকার কবির আবক্ষ সাদা মূর্তির উদ্বোধন করা হয়েছিল।
ভারতের আদমশুমারি ২০০১-এর হিসাব অনুযায়ী[হালনাগাদ],[৫] সোণারির জনসংখ্যা ১৭,৪৩০। এর মধ্যে পুরুষ ৫৫%, এবং নারী ৪৫%। এখানে সাক্ষরতার হার ৯২%, জাতীয় গড় ৫৯.৫% এর চেয়ে অনেক বেশি: পুরুষদের মধ্যে সাক্ষরতার হার ৭৯%, এবং নারীদের মধ্যে এই হার ৭২%। এই শহরর জনসংখ্যার ১২% এর বয়স ৬ বছর বা তার কম।