হাইপসিরোপাস সময়গত পরিসীমা: জুরাসিক যুগের শেষভাগ, ১৫.৫–১৫.০কোটি | |
---|---|
বৈজ্ঞানিক শ্রেণীবিন্যাস | |
জগৎ: | প্রাণী জগৎ |
পর্ব: | কর্ডাটা |
উপপর্ব: | ভার্টিব্রাটা |
শ্রেণী: | সরীসৃপ |
মহাবর্গ: | ডাইনোসরিয়া |
বর্গ: | †অর্নিথিস্কিয়া |
আদর্শ প্রজাতি | |
†হাইপসিরোপাস ডিসকারাস কোপ, ১৮৭৮ |
হাইপসিরোপাস (পুরো নাম - হাইপসিরোপাস ডিসকারাস; রোমান হরফ - Hypsirhophus discurus) হল স্টেগোসরিয়া উপবর্গের স্টেগোসরাইডি গোত্রের একধরনের ডাইনোসর গণ। এই গণের একটি মাত্র প্রজাতি হাইপসিরোপাস ডিসকারাস-এর একটিমাত্র অতি অসম্পূর্ণ দেহাবশেষের জীবাশ্ম এখনও পর্যন্ত আবিষ্কৃত হয়েছে। বিশেষজ্ঞদের মধ্যে যথেষ্ট বিতর্ক আছে যে, আদৌ এটি কোনও আলাদা প্রজাতি, না আসলে স্টেগোসরাস গণেরই একটি প্রজাতি মাত্র। সেই হিসেবে অনেক পুরাপ্রাণীতত্ত্ববিদই হাইপসিরোপাস শব্দটিকে স্টেগোসরাস শব্দটিরই একটি সমার্থক শব্দ হিসেবে দেখতে আগ্রহী[১], কিন্তু পিটার গালটন (২০১০) প্রমুখ বিশেষজ্ঞ মনে করেন এই দু'টি বাস্তবে দু'টি আলাদা গণের প্রাণী এবং এদের মেরুদণ্ডের গঠনের মধ্যে বেশ কিছুটা পার্থক্য আছে।[২]
১৮৭৮ সালে পুরাপ্রাণীতত্ত্ববিদ এডওয়ার্ড ড্রিঙ্কার কোপ কলোরাডোর গার্ডেন পার্কের যে খননস্থলটি বর্তমানে 'কোপ'স নিপল' বা কোপের সূঁচ নামে পরিচিত, সেখানকার কোয়ারি ৩ থেকে স্টেগোসরাইডি গোত্রের একটি প্রাণীর অসম্পূর্ণ দেহাবশেষ আবিষ্কৃত হলে তার নাম দেন হাইপসিরোপাস ডিসকারাস।[৩][৪] এর ঠিক আগের বছরই আবিষ্কৃত স্টেগোসরাস আর্মাটাস-এর সাথে এর যথেষ্ট মিল খুঁজে পাওয়া গেলে বিশেষজ্ঞরা সেইসময় থেকেই এই দুটিকে একই প্রজাতির প্রাণী হিসেবে গণ্য করতে শুরু করেন। এরপর ১৮৯১ সালে ওথনিয়েল চার্লস মার্শ স্টেগোসরাস আনগুলেটাস-এর যে আনুমানিক সম্পূর্ণ স্কেচ প্রকাশ করেন, ১৮৯৩ সালে রিচার্ড লাইডেকার সেটিকেই হাইপসিরোপাস নামে পুনরায় প্রকাশ করেন, ফলে দু'টি নামের সমার্থকতা বৃদ্ধি পায়।[১]
বর্তমানে সাধারণভাবে হাইপসিরোপাসকে একটি নোমেন ডুবিয়াম[৫] বা সন্দেহজনক প্রজাতি হিসেবে অভিহিত করা হয়ে থাকে।