![]() | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ব্যক্তিগত তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|---|
পূর্ণ নাম | যোসেফ উইলিয়াম হেনরি মেকপিস | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
জন্ম | ২২ আগস্ট, ১৮৮১ মিডলসবোরা, ইয়র্কশায়ার, ইংল্যান্ড | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
মৃত্যু | ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৫২ স্পাইটাল, বেবিংটন, চেশায়ার, ইংল্যান্ড | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ব্যাটিংয়ের ধরন | ডানহাতি | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
বোলিংয়ের ধরন | লেগ ব্রেক | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
ভূমিকা | ব্যাটসম্যান, কোচ | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
আন্তর্জাতিক তথ্য | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
জাতীয় দল |
| |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
টেস্ট অভিষেক (ক্যাপ ১৮৬) | ৩১ ডিসেম্বর ১৯২০ বনাম অস্ট্রেলিয়া | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
শেষ টেস্ট | ২৫ ফেব্রুয়ারি ১৯২১ বনাম অস্ট্রেলিয়া | |||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
খেলোয়াড়ী জীবনের পরিসংখ্যান | ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
| ||||||||||||||||||||||||||||||||||||||||
উৎস: ইএসপিএনক্রিকইনফো.কম, ৮ এপ্রিল, ২০১৮ |
যোসেফ উইলিয়াম হেনরি মেকপিস (ইংরেজি: Harry Makepeace; জন্ম: ২২ আগস্ট, ১৮৮১ - মৃত্যু: ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৫২) ইয়র্কশায়ারের মিডলসবোরা এলাকায় জন্মগ্রহণকারী ইংরেজ আন্তর্জাতিক ক্রিকেটার, ফুটবলার ও কোচ ছিলেন। ইংল্যান্ড ক্রিকেট দলের অন্যতম সদস্য ছিলেন তিনি। ১৯২০ থেকে ১৯২১ সময়কালে ইংল্যান্ডের পক্ষে আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অংশগ্রহণ করেছেন।
ঘরোয়া প্রথম-শ্রেণীর ইংরেজ কাউন্টি ক্রিকেটে ল্যাঙ্কাশায়ার ও ইয়র্কশায়ারের প্রতিনিধিত্ব করেছেন তিনি। দলে তিনি মূলতঃ ডানহাতি ব্যাটসম্যান হিসেবে খেলতেন। এছাড়াও লেগ ব্রেক বোলিংয়ে পারদর্শীতা দেখিয়েছেন হ্যারি মেকপিস।
নিজ দেশের পক্ষে চারবার করে ক্রিকেট ও ফুটবল খেলায় অংশগ্রহণের সুযোগ ঘটে তার। ফুটবলে মধ্যমাঠের খেলোয়াড় ছিলেন হ্যারি মেকপিস। মাত্র ১২ জন ইংরেজ খেলোয়াড়ের একজনরূপে আন্তর্জাতিক খেলায় দ্বৈত ভূমিকায় অবতীর্ণ হয়েছেন। অন্যদিকে, ক্রিকেটে রক্ষণাত্মক ভঙ্গীমায় খেলতেন।
প্রথম-শ্রেণীর ঘরোয়া ক্রিকেটে ল্যাঙ্কাশায়ারের পক্ষে খেলেছেন। ১৯০৬ থেকে ১৯৩০ সাল পর্যন্ত দলের নিয়মিত সদস্য ছিলেন হ্যারি মেকপিস।
১৯০৬ সালে ক্যান্টারবারিতে আলবার্ট চেভেলিয়ার টেলর কেন্ট বনাম ল্যাঙ্কাশায়ারের মধ্যকার খেলার চিত্র অঙ্কনের প্রস্তুতি নিলে হ্যারি মেকপিস বিজয়ী কেন্ট দলকে একত্রিত করার দায়িত্ব পান। তবে, মেকপিস এ চিত্রে স্থানাভাবের কারণে আসতে পারেননি। ফলে উইলিয়াম ফিন্ডলেকে ব্যাটসম্যান হিসেবে দেখাতে বাধ্য হন। অথচ, ফিন্ডলে খেলায় অংশগ্রহণই করেননি। তাস্বত্ত্বেও তিনি টেলরের লন্ডন স্টুডিওতে সারের সম্পাদক হিসেবে উপস্থিত হবার সুযোগ পান।[১]
১৯২০-২১ মৌসুমে অ্যাশেজ সিরিজ খেলার জন্য মনোনীত হন ও ইংল্যান্ড দলের অন্যতম সদস্যরূপে অস্ট্রেলিয়া গমন করেন। ঐ সফরেই খেলোয়াড়ী জীবনের চার টেস্টে অংশ নেন। ৩১ ডিসেম্বর, ১৯২০ তারিখে অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে টেস্ট ক্রিকেটে অভিষেক ঘটেছিল হ্যারি মেকপিসের।
নেভিল কারদাস তার সম্পর্কে মন্তব্য করেন যে, ‘ল্যাঙ্কাশায়ার ও ইয়র্কশায়ারের ক্রিকেটে মেকপিস অমর হয়ে রয়েছেন।’[২] ডাডলি কারিও, মেকপিস সম্পর্কে মূল্যায়ন করেন যে, ‘ব্যাটিং অনুপযোগী পিচে বাঁক খাওয়া বলকে মোকাবিলা করায় সিদ্ধহস্তের অধিকারী ছিলেন। ব্যাটিংয়ে তিনি খুব কমই নজর কেড়েছেন। তবে, রক্ষণাত্মক ভঙ্গীমায় বলকে আটকানোতে বেশ দক্ষ ছিলেন।’[৩]
১৯০২-০৩ মৌসুম থেকে ১৯১৪-১৫ মৌসুম পর্যন্ত এভার্টনের পক্ষে ফুটবল খেলেন হ্যারি মেকপিস। তন্মধ্যে, ১৯০৬ সালে এফএ কাপের চূড়ান্ত খেলায় শিরোপা বিজয়ী দলের সদস্য ছিলেন। ১৯০৬ থেকে ১৯১২ সাল পর্যন্ত ইংল্যান্ড ফুটবল দলের পক্ষে উইং হাফ হিসেবে চারবার অংশ নেন। এভার্টন্স হল অব ফেমে অন্তর্ভুক্ত হন তিনি।
খেলা থেকে অবসর নেয়ার পর দুই দশককাল কাউন্টি কোচের দায়িত্বে ছিলেন। ১৯ ডিসেম্বর, ১৯৫২ তারিখে চেশায়ারের বেবিংটনে ৭১ বছর বয়সে হেনরি মেকপিসের দেহাবসান ঘটে।
ক্রীড়া অবস্থান | ||
---|---|---|
পূর্বসূরী জ্যাক শার্প |
এভার্টন ফুটবল ক্লাবের অধিনায়ক ১৯১০-১৯১১ |
উত্তরসূরী জন ম্যাকনাচি |