তত্ত্বাবধায়ক | আন্তর্জাতিক ক্রিকেট কাউন্সিল |
---|---|
ক্রিকেটের ধরন | সীমিত ওভারের ক্রিকেট |
প্রতিযোগিতার ধরন | রাউন্ড-রবিন ও নক-আউট |
আয়োজক | ![]() |
বিজয়ী | ![]() |
রানার-আপ | ![]() |
অংশগ্রহণকারী দলসংখ্যা | ২২ |
খেলার সংখ্যা | ৮১ |
প্রতিযোগিতার সেরা খেলোয়াড় | ![]() |
সর্বাধিক রান সংগ্রহকারী | ![]() |
সর্বাধিক উইকেটধারী | ![]() ![]() ![]() |
কার্লসবার্গ ১৯৯৭ আইসিসি ট্রফি ক্রিকেট টুর্নামেন্ট ১৯৯৭ সালে মার্চ/এপ্রিলে মালয়েশিয়ার কুয়ালালামপুরে অনুষ্ঠিত হয়। এটি ছিল ১৯৯৯ ক্রিকেট বিশ্বকাপের বাছাইপর্ব। এতে কেনিয়া এবং প্রথমবারের মত বাংলাদেশ ও স্কটল্যান্ড বিশ্বকাপে খেলার জন্য যোগ্যতা অর্জন করেছিলো।
প্রথম রাউন্ড ছিল গ্রুপ পর্বের, যেখানে ৬টি দল করে ২টি গ্রুপ এবং ৫টি দল করে ২টি গ্রুপ মোট ৮টি গ্রুপ তৈরি করা হয়েছিল। প্রথম রাউন্ড শেষে প্রতি গ্রুপের শীর্ষ ২টি দল দ্বিতীয় রাউন্ডে যায় এবং বাকি ১৪টি দল যায় প্লেঅফ এ চূড়ান্ত স্ট্যান্ডিং এর জন্য।
অব | দল | খেলা | জ | হা | টাই | ফহ | পয়েন্ট | নে.রা.রে. |
---|---|---|---|---|---|---|---|---|
১ | ![]() |
৫ | ৫ | ০ | ০ | ০ | ১০ | +২.৭১২ |
২ | ![]() |
৫ | ৪ | ১ | ০ | ০ | ৮ | +১.৬২৮ |
৩ | ![]() |
৫ | ৩ | ২ | ০ | ০ | ৬ | +০.৭৪০ |
৪ | ![]() |
৫ | ২ | ৩ | ০ | ০ | ৪ | −১.০৬৭ |
৫ | ![]() |
৫ | ১ | ৪ | ০ | ০ | ২ | −২.১৩৪ |
৬ | ![]() |
৫ | ০ | ৫ | ০ | ০ | ০ | −১.৮২৩ |
দ্বিতীয় পর্বে উত্তীর্ণ
অব | দল | খেলা | জ | হা | টাই | ফহ | পয়েন্ট | নে.রা.রে. |
---|---|---|---|---|---|---|---|---|
১ | ![]() |
৫ | ৫ | ০ | ০ | ০ | ১০ | +১.৯০৯ |
২ | ![]() |
৫ | ৪ | ১ | ০ | ০ | ৮ | +০.৯৩১ |
৩ | ![]() |
৫ | ৩ | ২ | ০ | ০ | ৬ | +০.৩২৩ |
৪ | ![]() |
৫ | ২ | ৩ | ০ | ০ | ৪ | +০.০৫০ |
৫ | পশ্চিম আফ্রিকা | ৫ | ১ | ৪ | ০ | ০ | ২ | −১.০৯৬ |
৬ | ![]() |
৫ | ০ | ৫ | ০ | ০ | ০ | −২.৩৫০ |
দ্বিতীয় পর্বে উত্তীর্ণ
অব | দল | খেলা | জ | হা | টাই | ফহ | পয়েন্ট | নে.রা.রে. |
---|---|---|---|---|---|---|---|---|
১ | ![]() |
৪ | ৩ | ০ | ০ | ১ | ৭ | +২.৯৩২ |
২ | ![]() |
৪ | ৩ | ০ | ০ | ১ | ৭ | +০.৮৫০ |
৩ | ![]() |
৪ | ২ | ২ | ০ | ০ | ৪ | +০.১৮৪ |
৪ | ![]() |
৪ | ১ | ৩ | ০ | ০ | ২ | −১.২৯৩ |
৫ | পূর্ব ও মধ্য আফ্রিকা | ৪ | ০ | ৪ | ০ | ০ | ০ | −০.৯৮৪ |
দ্বিতীয় পর্বে উত্তীর্ণ
অব | দল | খেলা | জ | হা | টাই | ফহ | পয়েন্ট | নে.রা.রে. |
---|---|---|---|---|---|---|---|---|
১ | ![]() |
৪ | ৩ | ০ | ০ | ১ | ৭ | +১.৬৪৬ |
২ | ![]() |
৪ | ৩ | ০ | ০ | ১ | ৭ | +০.৭০৭ |
৩ | ![]() |
৪ | ২ | ২ | ০ | ০ | ৪ | +০.৬৯৬ |
৪ | ![]() |
৪ | ১ | ৩ | ০ | ০ | ২ | −০.৭২২ |
৫ | ![]() |
৪ | ০ | ৪ | ০ | ০ | ০ | −২.৩৫৯ |
দ্বিতীয় পর্বে উত্তীর্ণ
প্রথম রাউন্ডের মত দ্বিতীয় রাউন্ডও ছিল গ্রুপ পর্বের, যেখানে ৪টি করে দল ২টি গ্রুপে খেলে। দ্বিতীয় রাউন্ড শেষে দুই গ্রুপের শীর্ষ ২টি দল সেমি ফাইনালে জায়গা করে নেয়। দুই গ্রুপের ৩য় হওয়া ২টি দল যায় পঞ্চম স্থান নির্ধারনী পর্বে বাকি দুইটি দল যায় সপ্তম স্থান নির্ধারনী পর্বে।
অব | দল | খেলা | জ | হা | টাই | ফহ | পয়েন্ট | নে.রা.রে. |
---|---|---|---|---|---|---|---|---|
১ | ![]() |
৩ | ২ | ০ | ০ | ১ | ৫ | +২.২০৫ |
২ | ![]() |
৩ | ১ | ১ | ০ | ১ | ৩ | +০.০৪৫ |
৩ | ![]() |
৩ | ১ | ১ | ০ | ১ | ৩ | −০.৩৮০ |
৪ | ![]() |
৩ | ০ | ২ | ০ | ১ | ১ | −১.৬১৭ |
সেমি-ফাইনালে উত্তীর্ণ
অব | দল | খেলা | জ | হা | টাই | ফহ | পয়েন্ট | নে.রা.রে. |
---|---|---|---|---|---|---|---|---|
১ | ![]() |
৩ | ২ | ০ | ০ | ১ | ৫ | +০.৯৬৯ |
২ | ![]() |
৩ | ২ | ০ | ০ | ১ | ৫ | +০.৪৭১ |
৩ | ![]() |
৩ | ০ | ২ | ০ | ১ | ১ | −০.৪২৪ |
৪ | ![]() |
৩ | ০ | ২ | ০ | ১ | ১ | −১.০৩০ |
সেমি-ফাইনালে উত্তীর্ণ
প্রথম সেমি ফাইনালটি হয়, আয়ারল্যান্ড এবং কেনিয়ার মধ্যে। যেখানে কেনিয়া, আয়ারল্যান্ডকে ৭ রানে পরাজিত করে।
৬, ৭ এপ্রিল
স্কোরকার্ড |
ব
|
||
দ্বিতীয় সেমি ফাইনালটি হয়, বাংলাদেশ এবং স্কটল্যান্ডের মধ্যে। যেখানে বাংলাদেশ, স্কটল্যান্ডকে ৭২ রানে পরাজিত করে। ম্যান অব দ্যা ম্যাচ হন খালেদ মাসুদ তার ৭০ রান এবং ২টি স্ট্যাম্পিং করার জন্য।
৮, ৯ এপ্রিল
স্কোরকার্ড |
ব
|
||
তৃতীয় স্থান নির্ধারনী ম্যাচে স্কটল্যান্ড প্রথমে ব্যাট করে এবং ৪৫ ওভারে ৮ উইকেটে ১৮৭ রান করে বৃষ্টির কারণে ৫ ওভার কমানো হয়। স্কটল্যান্ডের পক্ষে মাইক স্মিথ সর্বোচ্চ ৪৯ রান করেন। ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে আয়ারল্যান্ডের জন্য ১৯২ রানের লক্ষ্য নির্ধারন করা হয়। জবাবে আয়ারল্যান্ড ব্যাট করতে নেমে ১৪১ রানে অল-আউট হয়ে যায়। ফলে স্কটল্যান্ড ৫১ রানের জয় পায় এবং ১৯৯৯ বিশ্বকাপে খেলার যোগ্যতা অর্জন করে।
১০, ১১ এপ্রিল
স্কোরকার্ড |
ব
|
||
ফাইনালটি বাংলাদেশ এবং কেনিয়ার মধ্যে অনুষ্ঠিত হয়। কেনিয়া প্রথমে ব্যাটিং করে ৫০ ওভারে ৭ উইকেট হারিয়ে করে ২৪১ রান। স্টিভ টিকোলো করেন ১৪৭ রান। বৃষ্টি বিগ্নিত ম্যাচে ডাকওয়ার্থ-লুইস পদ্ধতিতে বাংলাদেশের টার্গেট হয় ২৫ ওভারে ১৬৬ রান।শেষ ১ বলে দরকার পড়ে বাংলাদেশের ১ রান। ক্রিজে ছিলেন উইকেট-রক্ষক-ব্যাটসম্যান খালেদ মাসুদ পাইলট আর অপর প্রান্তে পেসার হাসিবুল হোসেন শান্ত। হাসিবুল হোসেনের এক রানের সুবাদে আইসিসি ট্রফির চ্যাম্পিয়ন হয় বাংলাদেশ। যার ফলে প্রথমবারের মত ক্রিকেট বিশ্বকাপে খেলার জন্য যোগ্যতা অর্জন করে বাংলাদেশ।
টুর্নামেন্ট শেষে অংশগ্রহণকারী দলগুলোর অবস্থান ছিল: