পাঁচমহল জেলা | |
---|---|
জেলা | |
![]() গুজরাটে জেলার অবস্থান | |
স্থানাঙ্ক: ২২°৪৫′ উত্তর ৭৩°৩৬′ পূর্ব / ২২.৭৫০° উত্তর ৭৩.৬০০° পূর্ব | |
দেশ | ![]() |
রাজ্য | গুজরাত |
সদর দপ্তর | গোধরা |
জনসংখ্যা (২০১১) | |
• মোট | ২৩,৯০,৭৭৬ |
ভাষাসমূহ | |
• সরকারি | গুজরাটি, হিন্দি |
সময় অঞ্চল | আইএসটি (ইউটিসি+০৫:৩০) |
যানবাহন নিবন্ধন | জিজে-১৭ |
ওয়েবসাইট | panchmahaldp |
পাঁচমহল জেলা, এটি পশ্চিম ভারতের গুজরাত রাজ্যের পূর্ব অংশের একটি জেলা। পাঁচ-মহল অর্থ "পাঁচটি তহশিল / তালুক" (৫টি উপবিভাগ)। গোয়ালিয়র রাজ্যের মহারাজা জীবাজীরাও সিন্ধিয়া দ্বারা ব্রিটিশকে হস্তান্তরিত পাঁচটি উপবিভাগকে বোঝানো হয়েছে, সেগুলি হল: গোধরা, দাহোদ, হালল, কালোল এবং তীর কোমথু। ২০০১ সালের জনগনণা অনুযায়ী এই জেলার জনসংখ্যা ছিল ২,৩৯০,৭৭৬, যার মধ্যে শহরে বসবাসকারী ছিল ১২.৫১%। এই জেলার সদর দপ্তর হল গোধরা।
জেলাটি রাজ্যের পূর্ব প্রান্তে অবস্থিত। এর উত্তর-পূর্ব ও পূর্বে দাহোদ জেলা, দক্ষিণ-পশ্চিমে বড়োদরা জেলা এবং দক্ষিণ-পূর্বে ছোট উদয়পুর জেলা, পশ্চিমে খেড়া জেলা এবং উত্তরে মাহি সাগর জেলা।[১]
পাঁচমহল জেলার ইতিহাস চম্পানের শহরকে ঘিরে তৈরি হয়েছে। পাঁচমহল হিন্দি বা গুজরাটি শব্দ যা পাঁচ থেকে উদ্ভূত এবং মহল কথাটি প্রাসাদ বোঝাতে আরবি থেকে গৃহীত হয়েছিল, পরে হিন্দিতে একটি প্রদেশ, জেলা বা তার বিভাগ, জমিদারি ইত্যাদি উল্লেখ করতে ব্যবহৃত হতে থাকে।[২] সপ্তম শতাব্দীতে (৬৪৭) চাভদা রাজবংশের রাজা বনরাজ চাভদার অঞ্চলে এটি প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ত্রয়োদশ শতাব্দীতে, চৌহান রাজারা আলাউদ্দিন খলজির অধীনে থাকা মুসলিম শাসকদের কাছ থেকে এই শহরটি অধিগ্রহণ করেছিল। তাদের রাজত্ব ১৪৮৪ সাল অবধি চলেছিল, তারপর গুজরাত সুলতান মাহমুদ বেগদা শহরটি দখল করেছিল। এরপরে মুঘল সাম্রাজ্যের অধীনে গোধরা এই জেলার কেন্দ্র হয়ে ওঠে (১৫৭৫ থেকে ১৭২৭)।
আঠারো শতকে মারাঠা সেনাপতি সিন্ধিয়া মুঘল সাম্রাজ্য থেকে পাঁচমহল দখল করেন। সময়ের সাথে সাথে, সিন্ধিয়া রাজবংশ গোয়ালিয়র রাজ্যের মহারাজা হয়ে উঠল এবং, ১৮১৮ সালের পরে, ব্রিটিশ সার্বভৌমত্বকে স্বীকৃতি দিতে বাধ্য হয়েছিল। ১৮৬১ সালে সিন্ধিয়ারা পাঁচমহলকে ব্রিটিশ ভারতে হস্তান্তরিত করে, যেখানে এটি বোম্বাই প্রদেশের গুজরাত বিভাগের একটি জেলাতে পরিণত হয়েছিল। ব্রিটিশ জেলাটি দুটি অংশ নিয়ে গঠিত, "পশ্চিম মহল" এবং "পূর্ব মহল," যা বারিয়া (দেবগড়) এবং সানজেলি রাজ্যের অঞ্চলগুলিতে বিভক্ত ছিল। পশ্চিমের সমতল অংশটি বেশিরভাগ অংশে উর্বর মাটি দিয়ে তৈরি ছিল; এবং পূর্ব অংশে, যদিও কয়েকটি উর্বর উপত্যকা ছিল, এর বেশিরভাগ অংশ ছিল অসমতল, ঢেউখেলান এবং অনুর্বর, এখানে খুব কম চাষাবাদ হত। ব্রিটিশ জেলার ক্ষেত্রটি ছিল ১৬০৬ বর্গ মাইল, এবং ১৯০১ সালে জনসংখ্যা ছিল ২৬১,০২০। প্রশাসনিক সদর দপ্তর গোধরা এবং সেখানে জনসংখ্যা ছিল ২০,৯১৫ (১৯০১)। হিন্দু রাজ্যের এবং পরে গুজরাটের সুলতানদের পূর্ব রাজধানী চম্পানের ধ্বংসাবশেষ এই জেলার অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছিল। এটি ছিল বোম্বাই প্রদেশের একমাত্র জেলা যেখানে নিয়ন্ত্রণহীন পদ্ধতিতে পরিচালিত হয়েছিল, ঔপনিবেশিক কালেক্টর, রেওয়া কান্থা এজেন্সির জন্য, ভারতের গভর্নর জেনারেলের প্রতিনিধি হিসাবেও নিযুক্ত ছিলেন।
বছর | জন. | ব.প্র. ±% |
---|---|---|
১৯০১ | ২,৮১,৮৭৬ | — |
১৯১১ | ৩,৬৪,৪২৪ | +২.৬% |
১৯২১ | ৪,২৩,৯৯২ | +১.৫৩% |
১৯৩১ | ৫,০৪,৫৮০ | +১.৭৬% |
১৯৪১ | ৫,৮০,৫৬৩ | +১.৪১% |
১৯৫১ | ৬,৯৪,০৫৪ | +১.৮% |
১৯৬১ | ৮,৮৮,৫৪৯ | +২.৫% |
১৯৭১ | ১১,০৬,৪৪১ | +২.২২% |
১৯৮১ | ১৩,৭৫,১০১ | +২.২% |
১৯৯১ | ১৬,৮২,৩৩৩ | +২.০৪% |
২০০১ | ২০,২৫,২৭৭ | +১.৮৭% |
২০১১ | ২৩,৯০,৭৭৬ | +১.৬৭% |
সূত্র:[৩] |